শিরোনাম :

খালেদার আত্মপক্ষ সমর্থনের পরবর্তী শুনানি ২৩ জুন


বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০১৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

খালেদার আত্মপক্ষ সমর্থনের পরবর্তী শুনানি ২৩ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের পরবর্তী শুনানি ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে আদালতে পৌঁছেন তিনি। তার উপস্থিতিতে আসামিপক্ষের সময় আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন আবেদনটি আপিল বিভাগে বিচারাধীন থাকায় সময় প্রার্থনা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী। অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সময় প্রার্থনার বিরোধিতা করে মামলা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ৬ষ্ঠবারের মতো পিছিেয় আদালত খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করে ২৩ জুন পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন।

বেলা ১১টা ৫ মিনিটে মামলা কার্যক্রম শুরু হয়। খালেদা জিয়া এজলাসে ঢুকে চেয়ারে বসার অনুমতি চান। আদালত তাঁকে বসার অনুমতি দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে সময় প্রার্থনা করেন ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন ও এ জে মোহাম্মদ আলী। দুদকের পক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল সময় প্রার্থনার আবেদন বাতিল করেন।

এদিকে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন খালেদা জিয়া। তাঁর অনুপস্থিতিতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলবে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদার আত্মপক্ষ সমর্থনের সর্বশেষ তারিখ ছিলো গত ১৯ মে। কিন্তু অসুস্থতার কথা বলে তার আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করলে শুনানি পিছিয়ে যায়। সেদিনই বিচারক জানিয়ে দেন, ২ জুন আদালতে অনুপস্থিত থাকলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে।

এর আগে ৭, ১৭, ২৫ এপ্রিল ও ৫ মে চার দফা খালেদার সময়ের আবেদনে তার আত্মপক্ষ সমর্থন পিছিয়ে যায়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে আসা অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ অাগস্ট তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, তার প্রাক্তন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এমএল

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন