ব্রেকিং নিউজ
চার অপারেটরকে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা ফোরজি’র লাইসেন্স হস্তান্তর
শিরোনাম :
   সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি    প্রাথমিক সমাপনীতে শতভাগ সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত    ”পরিক্ষীত পদ্বতিতেই দেশের জ্বালানি নিরপত্তা নিশ্চিত করা হবে”    কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন    স্মারকলিপি গ্রহণ করলেন না রাবি উপাচার্য    এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ৪ শিক্ষক গ্রেপ্তার    আন্দোলনের মুখে অচল হয়ে পড়েছে বিসিসি কার্যক্রম    সময় মতো, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে: প্রধানমন্ত্রী    সংবাদ সম্মেলনে তিনটি সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী    জামালপুরে আড়াই বছরের শিশুর বিরুদ্ধে মামলা
আসাদ হত্যা

মুন্সিগঞ্জে তিনজনের যাবজ্জীবন


বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০১৬, ০৬:১০ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

মুন্সিগঞ্জে তিনজনের যাবজ্জীবন

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার রাজানগরের ইঞ্জিনিয়ার আসাদ খন্দকার হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন ও অপর তিন আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মহসীন খান, আলমগীর হোসেন ও সাগর। যাবজ্জীবনপ্রাপ্তদের দণ্ডবিধির অপর একটি ধারায় অতিরিক্ত ৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দুই ধারায় তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও খুনে প্ররোচণা দেওয়ার অভিযোগে ১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, অলিয়ার রহমান ওরফে অলি, আমিনুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান মিজান। তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও একবছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার প্রধান আসামি লিটন চৌধুরীসহ ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পরপর তা প্রত্যাখান করেছেন নিহতের বোন তরুলতা। তিনি রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এছাড়া হতাশ হয়ে তিনি আদালতের ৫তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ওই সময় দুই ব্যক্তি তাকে ধরে ফেলেন।

২০১৩ সালের ২১ অক্টোবর দিবাগত রাত সোয়া ৯টার দিকে আসাদ মোটরসাইকেলে করে রাজানগর বাজারে গেলে আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

ওই ঘটনায় নিহতের মা আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। ২০১৪ সালের ১২ মে পুলিশ পরিদর্শক এসএম শহিদুল ইসলাম ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলাটির বিচারকালে ৪২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

এসএ

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন