শিরোনাম :

ছাত্রী ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলায় স্ত্রী-শাশুড়িসহ তুফান ফের রিমান্ডে


বুধবার, ২ আগস্ট ২০১৭, ০৮:১৯ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ছাত্রী ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলায় স্ত্রী-শাশুড়িসহ তুফান ফের রিমান্ডে

ডেস্ক প্রতিবেদন: বগুড়ায় ছাত্রী ধর্ষণ এবং মাসহ ওই ছাত্রীকে নির্যাতনের মামলায় তুফান সরকার এবং তার স্ত্রী-শাশুড়িসহ চারজনকে ফের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

বুধবার বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যাম সুন্দর রায় তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই মামলায় গ্রেফতাকৃত মাথা ন্যাড়া করা নাপিত জীবন কুমার তার দোষ স্বীকার করে একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নতুন করে রিমান্ডে নেওয়া চারজনের মধ্যে তুফান সরকার ও তার সহযোগী মুন্না শেখের দুইদিন করে এবং তুফানের স্ত্রী আশা খাতুন ও শাশুড়ি রুমি বেগমের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এরআগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বুধবার বিকেলে তুফানসহ ৯জনকে আদালতে হাজির করেন। ওই ৯জনের মধ্যে নাপিত জীবন কুমার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। একারণে তাকে ছাড়া অন্য আটজনের প্রত্যেকের পুনরায় সাতদিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে বিচারক তুফান ও তার সহযোগী মুন্না এবং স্ত্রী ও শাশুড়ির রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলার অন্য আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা ওই শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের উপপরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'ওই শিক্ষার্থী শারীরিক দিক থেকে সুস্থ বোধ করলেও এখন মানসিক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। একারণে তার আরও চিকিৎসার প্রয়োজন।

পুলিশ জানায়, গত ১৭ জুলাই ভালো কলেজে ভর্তির প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে তুফান। ঘটনার ১০ দিন পর গত শুক্রবার তুফান সরকারের স্ত্রী আশা ও তার বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকির নেতৃত্বে কয়েকজন ওই তরুণী এবং তার মায়ের উপর নির্যাতন করে। পরে শহরের চকসূত্রাপুর এলাকায় কাউন্সিলর রুমকির বাড়িতে তাদের মাথা ন্যাড়া করে বেধড়ক পেটানো হয়।

পরে রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই কিশোরী ও তার মাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শ্রমিক লীগ বগুড়া শহর শাখার সভাপতি (বরখাস্তকৃত) তুফান সরকারসহ মামলার ৯ আসামি এবং কাউন্সিলরের বাবা ও নাপিতকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন