শিরোনাম :

‘রায়ের অনুলিপি না দেওয়ার পেছনে সরকারের কোনো হাত নেই’


রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৭:০৮ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

‘রায়ের অনুলিপি না দেওয়ার পেছনে সরকারের কোনো হাত নেই’

ডেস্ক প্রতিবেদন: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের অনুলিপি বিচারক দেবেন। অনুলিপি না দেওয়ার পেছনে সরকারের কোনো হাত নেই।

রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রায়ের অনুলিপি বড় হওয়ায় দিতে দেরি হতে পারে।

আনিসুল হক বলেন, ‘রায়ের কপি দেওয়ার ব্যাপারে কিন্তু কোনো পক্ষ নাই। বিজ্ঞ বিচারক রায়ের কপি দিয়ে দেবেন। এটাই হচ্ছে নিয়ম। ৬৩২ পাতার রায়। একটা রায়ের কপি পেতে হলে রায়টা কত বড়, সেটার ওপরে নির্ভর করে কত তাড়াতাড়ি আপনি পাবেন। আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, যে সরকারের এখানে কোনো হাত নাই। উনি আপিল করবেন সেটাই আমরা চাই।’

বিএনপির অনেক নেতা বিএনপি চেয়ারপারসনের ওই মামলাটিকে রাজনৈতিক মামলা বলে ঠুনকো অজুহাত দাঁড় করাতে চাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন আইনমন্ত্রী। রাস্তাঘাটে আন্দোলন করে তাঁরা আদালত অবমাননা করছেন বলেও জানান তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এঁদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

এরপর খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কারাগারে রাখা হয়েছে। এরপর থেকে তার আইনজীবীরা রায়ের অনুলিপি পাওয়ার অপেক্ষা আছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন