শিরোনাম :

নম্বর পদ্ধতি, সনাতন ও অভিন্ন গ্রেডিং বৈষম্য


সোমবার, ২২ আগস্ট ২০১৬, ০৩:১১ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

নম্বর পদ্ধতি, সনাতন ও অভিন্ন গ্রেডিং বৈষম্য

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের জন্য অভিন্ন নীতিমালা চূড়ান্ত হচ্ছে দেখে একটা বিষয় বারবার মাথায় ঘুরছে। সেটা হল পুরাতন ও অভিন্ন গ্রেডিং বৈষম্য। লেখাটা লিখতে বসার আগে ভেবেছি অনেক। ভাবলাম, আমরাও এদেশের নাগরিক, এদেশ আমার এবং আমাদেরও। আমাদের সংবিধান যদিও শিক্ষাকে মৌলিক অধিকারের মর্যাদা দেয়নি। তবে রাষ্ট্রের অবশ্য কর্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষা সাংবিধানিকভাবে অধিকার না হলেও আদর্শিকভাবে অধিকারের মর্যাদাসম্পন্ন। ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার সংবিধানে শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। আবার সংবিধানে সকলের অধিকার সমান দেয়া হয়েছে। একই দেশের নাগরিক হয়ে এ বৈষম্যের স্বীকার কেন হবে শিক্ষার্থীরা?

শিক্ষায় আমাদের অগ্রগতি আশানুরূপ। স্বাধীনতার পর এক্ষেত্রে আমাদের অর্জন আরো ব্যাপক। দেশে অনেক স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এক সময় সরকারি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ই ছিল শিক্ষার প্রধান পাদপিঠ। বর্তমানে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার অবারিত সুযোগ এখন সবার হাতের নাগালে। শিক্ষা ব্যবস্থায়ও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। সময়োপযোগি আধুনিক শিক্ষার দিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। শিক্ষায় এসেছে গ্রেড পদ্ধতি। যুক্ত হয়েছে সৃজনশীল পদ্ধতিও। ফলাফলে উন্নতিতো আছেই।

আমাদের সংবিধানে শিক্ষাকে একটি বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে। সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে শিক্ষার কথা বলা আছে। এ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ভাগে অন্তর্ভূক্ত। এ অনুচ্ছেদে মূলত তিনটি বিষয় উল্লেখ আছে। প্রথমত, এখানে আইনানুযায়ী সর্বজনীন, গণমুখি, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা আছে। সংবিধান বলছে, রাষ্ট্র একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করবে। একই সাথে, সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সে প্রয়োজন পুরণের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির ব্যবস্থাও করবে। তৃতীয় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-তা হচ্ছে, দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূর করা হবে।

সংবিধান বলছে, আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নিরক্ষরতামুক্ত একটি সমাজ ও রাষ্ট্র আজ সময়ের দাবী। যে দেশে শিক্ষায় যতো উন্নত তার অর্থনীতিও ততো মজবুত ও দৃঢ়।

মূল আলোচনার শুরুতে পরীক্ষার ফলাফল কী কাজে লাগে সে বিষয়ে আমার সামান্য ধারণাটুকু তুলে ধরি। জ্ঞানার্জনের জন্য লেখাপড়া, তাই পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হল সেই জ্ঞান কতটুকু অর্জিত হল সেটা যাচাই করে নেয়া। তবে প্রায়োগিক দিক চিন্তা করলে দেখা যায়, এই পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে আমরা নির্দিষ্ট বিষয় বা বিষয়সমূহে একজন শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞানের পাশাপাশি তার মেধাশক্তি পরিমাপ করার চেষ্টা করি। সেই মেধার ভিত্তিতে তাঁর উচ্চতর শিক্ষার উপযুক্ততা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া এই ফলাফলের ভিত্তিতেই বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্মী বাছাই করা হয়।

উচ্চশিক্ষার উপযুক্ত শিক্ষার্থী এবং কর্মক্ষেত্রে কর্মী বাছাইয়ের একটা হাতিয়ার হল ফলাফল। নিয়োগকর্তা যদি পরীক্ষার ফলাফল দেখে কর্মীর যোগ্যতা বুঝতে না পারেন, তবে সেই ফলাফল এর মূল একটা উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ এবং নিয়োগকর্তার কাছে এটা একটা প্রহসন ছাড়া আর কিছু মনে হতে পারে না।

এজন্য একদিকে শিক্ষক শিক্ষার্থীকে উপযুক্ত কোচিং বা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মযজ্ঞের জন্য প্রস্তুত করেন। অপরদিকে শিক্ষক হলো কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার। অর্থাৎ, তার প্রদত্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ইন্ডাস্ট্রি উপযুক্ত কর্মী বেছে নিতে পারবে। এটা সমাজ তথা কর্মক্ষেত্রের কাছে শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা বলেই মনে করি।

যাই হোক, গ্রেডিং পদ্ধতি নিয়ে মূল আলোচনায় আসা যাক। সম্ভবত বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নম্বর পদ্ধতি অবসানের পর সনাতন গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয়। বর্তমানে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হওয়ায় সনাতন পদ্ধতি অনায়াসে বাতিলের খাতায় চলে গেছে। নম্বর পদ্ধতি খুব সুবিধাজনক হলেও এটার একটা বড় দূর্বলতা আছে, যা শিক্ষার্থীদেরকে ভোগাচ্ছে বহুভাবে; এই সমস্যারও সমাধান করা সম্ভব হয়েছে গ্রেডিং পদ্ধতিতে। প্রথমে সমস্যাটা উল্লেখ করি: ভিন্ন ভিন্ন সময়ের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ভিন্ন প্রশ্নপত্রের ক্ষেত্রে কোনো বছরে সহজ এবং কখনো অত্যন্ত কঠিন প্রশ্ন হতে পারে। স্বাভাবিক ভাবেই কঠিন প্রশ্নের সময়ে একই রকম মেধা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীও বেশি নম্বর উঠাতে পারবে না। ফলশ্রুতিতে অন্য ব্যাচের ছাত্রদের সাথে তার মেধার তূলনীয় মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে না।

সনাতন এবং অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতিতে সমন্বয়ের অভাবে শিক্ষার্থীরা চাকুরীক্ষেত্রে বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলেও স্বায়ত্তশাসনের অজুহাতে প্রশাসন যেন নির্বিকার।

সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেডিং পদ্ধতিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর উভয়টিতে ৩.৫০ বাধ্যতামূলক করা হলেও শ্রেণি পদ্ধতিতে স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তরের যেকোন একটিতে প্রথম শ্রেণি চাওয়া হচ্ছে। প্রশ্ন হল, শ্রেণি এবং গ্রেডিং পদ্ধতির স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর আলাদা? যদি না-ই হয় তাহলে এ বৈষম্য কেন?

অপরদিকে, সনাতন গ্রেডিং পদ্ধতিতে এক গ্রেড থেকে অন্য গ্রেডের ব্যবধান ১০ নম্বর হলেও অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতিতে ব্যবধান ৫ নম্বর। কিন্তু এ বিষয়টি বোঝার যেন কেউ নেই। শিক্ষার্থীরা এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও যথাস্থানে বিষয়টির উল্লেখ করার সুযোগ এবং সাহস কোনটাই হচ্ছেনা। সনাতন এবং অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতির পার্থক্য নিম্নে দেখানো হলো:

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

লক্ষণীয় বিষয় হলো, যেখানে সনাতন পদ্ধতিতে ৬০-৭০ নম্বর পেলে ৩.৫০, সেখানে অভিন্ন পদ্ধতিতে ৬০-৬৪ নম্বর পেলে ৩.০০ এবং ৬৫-৬৯ নম্বর পেলে ৩.২৫ হয়। আবার ৬০ নম্বরের উর্ধ্বে পেলে প্রথম শেণি ধরা হলেও অভিন্ন পদ্ধতিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভুক্তভোগী হচ্ছে।

আবার, গ্রেড পয়েন্টকে যখন নম্বরে রূপ দেওয়া হয় তখন নিম্নরুপ দেখা যায়: ধরি, সনাতন পদ্ধতিতে কোন শিক্ষার্থী ৩.৭২ গ্রেড পয়েন্ট পেল। ৩.৭২ কে নম্বরে পরিবর্তন করলে ৬৩.৪৩ শতাংশ নম্বর পায়, অনুরুপভাবে অভিন্ন পদ্ধতি অর্থাৎ প্রচলিত পদ্ধতিতে ৩.৪০ গ্রেড পয়েন্ট পেলে সেটা ৬৮ শতাংশ নম্বর হয়। প্রশ্ন হল তাহলে কি ৬৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে শিক্ষক হওয়ার অযোগ্য হলে ৬২ শতাংশ নম্বর পেয়ে কিভাবে যোগ্য হন? সনাতন এবং অভিন্ন গ্রেড পয়েন্টের একই সিজিপিএ'র পার্থক্য অনেক, যা উপরে দেখানো হয়েছে।

প্রায় একই ভাবে গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রতিটা গ্রেডের একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করা আছে। যেমন:
এ গ্রেড (এ+, এ, এ-)= অসাধারণ
বি গ্রেড (বি+, বি, বি-)= খুব ভাল
সি গ্রেড (সি+, সি, সি-)= গড়পড়তা
ডি গ্রেড (ডি+, ডি, ডি-)= পাশযোগ্য

বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত বলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। যদি এই অজুহাত দেয়া হয় তাহলে মঞ্জুরী কমিশন কেন? সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের সমানাধিকার নিশ্চিত করলেও দায়িত্ব পেলেই তা অবহেলা করাটা কি যৌক্তিক? অসঙ্গতি দূর করলে শিক্ষাব্যাবস্থা উপকৃত হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়া-লেখার প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসবে। শিক্ষক সমাজে যুক্ত হতে আগ্রহী হবে মেধাবীরা। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা থাকায় মেধাবীরা আগ্রহ হারাচ্ছে, ঝুঁকছে বিসিএসের দিকে। ফলে অদূর ভবষ্যিতে ক্ষতিগ্রস্থ হবে উচ্চ শিক্ষা, শিক্ষক সমাজ সহকর্মী হিসেবে মেধাবীদের পাবেনা, শিক্ষার্থীরা যোগ্য শিক্ষক পাবেনা এবং সর্বোপরি বড় ধবনের ক্ষতির মুখে পড়বে বিশ্ববিদ্যালয়।

ইউজিসি কর্তৃক প্রস্তাবিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন নীতিমালার খসড়ায় দেখা যায়- বিজ্ঞান, বাণিজ্য, সমাজ বিজ্ঞান, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের প্রার্থীদের প্রভাষক পদে লিখিত পরীক্ষা দিতে। উদ্যোগটি প্রশংসার দাবি রাখে। এতে যোগ্যরা শিক্ষকতায় আসার সুযোগ পাবে। খসড়ায় সকল অনুষেদর প্রার্থীদের এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ধরা হয়েছে ৪.৫০। কিন্তু স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় পরীক্ষায় বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগের ক্ষেত্রে জিপিএ ৪ এর মধ্যে সিজিপিএ ৩.৫০ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে কলা ও মানবিক বিভাগের ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে একটিতে ন্যূনতম ৩.২৫ এবং অন্যটিতে ন্যূনতম ৩ পয়েন্ট থাকলে আবেদনের যোগ্য হবে।

বিজ্ঞান এবং বাণিজ্য অনুষদের জন্য প্রস্তাবিত সিজিপিএ'র সাথে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের জন্য প্রস্তাবিত সিজিপিএ কখনো এক হতে পারে না। যেখানে বিজ্ঞান এবং বানিজ্য অনুষদে জিপিএ ৪ এর মধ্যে সিজিপিএ ৪.০০ দেয়া হয়, সেখানে সমাজ বিজ্ঞান এবং কলা অনুষদে তা কল্পনা করা যায় না। বলে রাখা ভাল, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য অনুষদে ৩.৫০ পাওয়ার চিত্র হরহামেশাই দেখা যায়। কিন্তু সমাজ বিজ্ঞান এবং কলা অনুষদে সে চিন্তা দূরুহ ব্যাপার। তাই সনাতন এবং অভিন্ন পদ্ধতির সমন্নয় সাধন করে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনুষদভিত্তিক সিজিপিএ নির্ধারণ কাম্য।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, ইউজিসি চেয়ারম্যান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষানুরাগীগণ যদি বিষয়টি নিয়ে একটু ভাবেন তাহলে হয়তো সনাতন-অভিন্ন গ্রেডিং বৈষম্য নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ সম্ভব। এতে উপকৃত হবে শিক্ষার্থী, সমাজ, রাষ্ট্র। মাননীয় ইউজিসি চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং উপাচার্য ছিলেন। তিনি অন্তত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাটি অনুধাবন করতে পারবেন বলে আশা করছি। এ বৈষম্য নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে তিনি যথার্থ ভূমিকা পালন করলে অভিন্ন গ্রেডিংয়ের শিক্ষার্থীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবেন বলে মনে করি।

সমস্যা এবং বৈষম্য সমাধান না করে জিইয়ে রাখা উচিৎ নয়। সংশ্লিষ্ট মহলের উদ্যোগ গ্রহণই পারে এ বৈষম্য নিরসন করে একটা বাস্তব, যৌক্তিক এবং মানসম্পন্ন সমাধান দিতে। এ জাতি কোন ক্ষেত্রেই বৈষম্য চায় না। সকল ক্ষেত্রে সুষম অধিকার নিয়ে বাঁচতে চায়, নিজেকে চেনাতে চায়...

লেখক: এম.এস. আহমাদ
সাংবাদিক

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন