শিরোনাম :

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট, এ বড়ো সুখের সময় নয়


বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮, ০১:১২ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট, এ বড়ো সুখের সময় নয়

সুমন চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা:

আশ্চার্য হয়ে দেখি, রাজনীতি অথবা ধর্মের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্ক-রহিত বিষয়ে হয়তো কোনও পোস্ট লিখলাম, ‘ট্রোল’ কোম্পানি ঠিক গরুর গপ্পো রচনার মতো সেখানেও সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ভাবে নিজেদের সাম্প্রদায়িক প্রচারের সুযোগটি হাতছাড়া হতে দেবে না। এর থেকেই বোঝা যায়, এরা সাতিশয় সংগঠিত, কোনও এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা, লক্ষ্যে এক্কেবারে অবিচল।

সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে একটি ছোট্টো ইংরেজি শব্দ আমাদের দৈনন্দিন চর্চায় জাঁকিয়ে জায়গা করে নিয়েছে৷ ‘ট্রোল’৷ আভিধানিক অর্থে প্রবেশ নিষ্প্রয়োজন, চালু অর্থে ‘ট্রোল’ বলা হয় তাদের, যারা ফেসবুক অথবা টুইটারে কোনও ব্যক্তি বা বিষয়বস্তু অপছন্দ হলে তেড়ে গালাগালি করে, অনেক সময়ই সভ্যতা, ভব্যতা, শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে৷ শুনতে পাই এ দেশে নাকি এমন রাজনৈতিক দল আছে যারা পয়সা দিয়ে প্রতিপক্ষ শিবিরের লোকজন বা বিরুদ্ধমতবাদীদের গালাগাল দেওয়ার জন্য মাস মাইনে অথবা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে লোকও নিয়োগ করে৷ সর্বগ্রাসী বেকারির হাহাকারের দিনে এ তো এক ধরনের অভিনব কর্ম-সংস্থানই৷ অনায়াসে এমন জনহিতকর প্রকল্পটির নাম হতে পারে, ‘গাল দো মাল লো’৷

নৈতিকতার মানদণ্ডে চরম কাপুরুষ না হলে ‘ট্রোল’ হওয়া কঠিন৷ সোশ্যাল মিডিয়া এক দিকে যেমন গোটা বিশ্বের মানুষকে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার, ভাব-বিনিময় করার যুগান্তকারী সুযোগ করে দিয়েছে, অন্য দিকে তেমনই অপপ্রয়োগের দরজাটিও হাট করে খোলা৷ এখানে আত্ম-পরিচয় গোপন করে, জালি প্রোফাইল বানিয়ে, কাল্পনিক নাম নিয়ে, মেঘের আড়ালে মেঘনাদের মতো তির নিক্ষেপ করাটা অতি সহজ বিষয়, পার পেয়ে যাওয়া আরও সহজ৷ এ দেশে সাইবার-অপরাধের চিহ্নিতকরণ অথবা শাস্তিবিধানের বন্দোবস্ত রয়েছে নেহাতই শৈশবাবস্থায়, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা অথবা বিত্তবানেরা ছাড়া অন্য কেউ পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে বিশেষ সুবিধে করতে পারে বলে মনে হয় না৷ এই ‘ভার্চুয়াল’ আখড়াটিতে যার যখন খুশি, যাকে খুশি, যে ভাবে খুশি সে ভাবেই ঢিল ছুড়তে পারে, অবোধের তাতেই মহা আনন্দ! এ ভাবে আনন্দ পাওয়াটা মানসিক বিকার কি না মনস্তাত্ত্বিকেরা তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে পারবেন, তবে শব্দ নিয়ে খেলা করার ওস্তাদ শশী থরুর দেখলাম ইংরেজি অভিধান ছানবিন করে এই মনোবৃত্তির একটি প্রতিশব্দ খুঁজে পেয়েছেন৷ ‘ল্যালোচেজিয়া’৷


অমিত্রাক্ষর
বাংলায় ‘ট্রোল’-দের মধ্যে কট্টর হিন্দুবাদীরা সবচেয়ে সোচ্চার, সবচেয়ে সংগঠিত, সবচেয়ে কর্কশ ও ভয়ঙ্কর রকম আক্রমণাত্মক৷ এমন একটি উপসংহারে পৌঁছনোর জন্য আমার জগদ্বিখ্যাত কোনও সংস্থাকৃত সংখ্যাতত্ত্বের প্রয়োজন নেই, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট৷ দেওয়ালের লিখন কিছুটা পড়তে পারি বলে ফেসবুকে বেশ কিছুকাল যাবৎ আমি বেশ সক্রিয়, কোনও কোনও দিন অতি-সক্রিয়৷ আমার গাত্রচর্ম এত দিন সাংবাদিকের পেশায় থাকার কারণে অতি-মাত্রায় পুরু, গণ্ডারকে লজ্জিত করতে পারার মতোই৷ তবে গায়ে না মাখলেও আমাকে যাঁরা নিয়মিত ‘ট্রোল’ করেন তাদের সম্পর্কে আমি বেশ কৌতূহলী৷ সেই অনুসন্ধিৎসা নিয়ে আমি এদের অনেকের প্রোফাইল ঘেঁটে দেখেছি, কিছুটা হলেও বোঝার চেষ্টা করেছি এদের অনেককেই৷

যে সামাজিক-রাজনৈতিক আবহে আমাদের দিন গুজরান, সোশ্যাল মিডিয়ার দর্পণে সেটা প্রতিনিয়ত প্রতিবিম্বিত হয়ে থাকে৷ ফলে এই অধ্যয়নের একেবারে কোনও তাৎপর্য নেই এমনটি হতে পারে না, কোন স্রোতটি চোরা, কোনটি চওড়া, ইন্টারনেট দুনিয়ায় কোন ইস্যুতে কার পালে হাওয়া ভারি কিংবা কিছু লোকের বে-লাগাম ক্রোধের উৎসস্থলটি কোথায়, তা বেশ স্পষ্ট ভাবেই ধরা পড়ে৷ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করলে যে কোনও রাজনৈতিক দলের দু’ধরনের ফায়দা হতে পারে৷ স্মার্টফোন-সর্বস্ব জীবনে যেমন অসংখ্য মানুষের কাছে যৎসামান্য খরচে পৌঁছে যাওয়া যায়, তাদের দেওয়ালে সেঁটে দেওয়া যায় নিজেদের পছন্দের বার্তাটি, ঠিক তেমনই প্রতিপক্ষ শিবিরের হাল-হকিকতটাও বুঝে নেওয়া যায় একটু চেষ্টা করলেই৷

জাতীয় স্তরে বিজেপি এই ‘ভার্চুয়াল’ বিশ্বের গুরুত্ব সবার আগে বুঝেছে, তার সুফলও পেয়েছে সবচেয়ে বেশি৷ একে কী ভাবে ব্যবহার করতে হয়, এ দেশে নরেন্দ্র মোদী ও আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্প তা বিলক্ষণ বুঝিয়ে দিয়েছেন বিপক্ষের প্রস্তুতিহীনতার সুযোগ নিয়ে৷ ২০১৪-র লোকসভা ভোট তার সাক্ষী হয়ে আছে৷ বিজেপি-র কাছ থেকে প্রয়োজনীয় শিক্ষাটুকু নিয়ে ইদানীং কংগ্রেসও দক্ষ লোকেদের নিয়োগ করে দলের আইটি সেলকে চাঙ্গা করে তুলেছে, রাহুল গান্ধী এখন যে ভাবে তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলকে প্রচারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন, কিছু দিন আগে পর্যন্ত তা অকল্পনীয় ছিল৷ তুলনায় আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গের দলগুলো নেহাতই নাদান, শাসক-বিরোধী উভয়ই এগোচ্ছে বড়োজোর হামাগুড়ির গতিতে৷ তবু অনস্বীকার্য এখানেও গেরুয়া শিবির অন্তত পাঁচ গোলে এগিয়ে আছে শাসক দলের চেয়ে৷ তৃণমূল কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া সেল দীর্ঘ দিন যে লম্বকর্ণের হাতে ছিল তিনি স্রেফ আত্মপ্রচারেই সময় ব্যয় করেছেন, আচরণ করেছেন শখের মজদুরের মতোই৷

ফেসবুক পেজে আমাকে যারা অহরহ গালাগাল দেন কয়েকটি বিষয়ে তাঁরা একই সূত্রে গাঁথা৷ এঁরা হিন্দুত্বের যতটা ধ্বজাধারী তার চেয়েও অনেক বেশি মুসলিম-বিদ্বেষী, ‘ইসলাম’ শব্দটিই এঁদের কাছে নোংরা শব্দ-বিশেষ৷ অন্ধ ভক্তি অথবা অন্ধ বিদ্বেষের বিরুদ্ধে তথ্য, সত্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস সবই সর্বার্থে অচল, ভবী ভুলবে না কিছুতেই৷ সমাজে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিষ ছড়াতে গেরুয়া শিবিরের কট্টরপন্থীরা প্রকাশ্যেই যে সব কথা বলতে অভ্যস্ত, সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘ট্রোল’-দের বিবিধ মন্তব্যে সে সবই প্রতিধ্বনিত হয়, এখানে নতুন কিছু শোনা যায় তা একেবারেই নয়৷ অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ নাকি ইসলামি জেহাদিদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে কিংবা মুসলিমদের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে রাজ্যটি পশ্চিম বাংলাদেশ হতে চলেছে অচিরেই কিংবা সরকারের কাছ থেকে ক্রমাগত জামাই আদর পেতে পেতেই তাদের আজকের এই বাড়বাড়ন্ত, তাদের চোখে মুসলিমের সাত খুনও মাফ, হিন্দু হলেই প্রত্যাঘাত৷ এ সব কথা প্রচারের উদ্দেশ্য একটাই, সংখ্যাগুরুর মধ্যে সংখ্যালঘুর নিরাপত্তার অভাববোধ সঞ্চারিত করে দেওয়া৷ স্বাধীনতা-উত্তর পশ্চিমবঙ্গে কখনও এমনতরো প্রচার এতটা উচ্চগ্রামে উঠতে দেখিনি, সেই প্রচারে এত লোক এই ভাবে প্রভাবিত হতে পারে, দীর্ঘদিনের বাম-শাসিত, প্রগতিশীল বাংলায় এত বড়ো অঘটন কিছুকাল আগেও ছিল অবিশ্বাস্য৷

আশ্চর্য হয়ে দেখি, রাজনীতি অথবা ধর্মের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্ক-রহিত বিষয়ে হয়তো কোনও পোস্ট লিখলাম, ‘ট্রোল’ কোম্পানি ঠিক গরুর গপ্পো রচনার মতো সেখানেও সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ভাবে নিজেদের সাম্প্রদায়িক প্রচারের সুযোগটি হাতছাড়া হতে দেবে না৷ এর থেকেই বোঝা যায়, এরা সাতিশয় সংগঠিত, কোনও এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা, লক্ষ্যে এক্কেবারে অবিচল৷ পদ্ধতিটি গোয়েবেলসীয়, অর্থাৎ একটি মিথ্যে বারবার শোনাতে পারলে এক দিন না এক দিন কিছু লোক বিভ্রান্ত হয়ে তাকে বিশ্বাস করা শুরু করবেই৷ চারদিক তাকিয়ে মনে হয় সেই বিশ্বাসীদের সংখ্যাটা জোয়ারের নদীতে জল একটু একটু করে বাড়ার মতো ক্রমাগত বেড়েই চলেছে৷

আমাকে যেটা সবচেয়ে বিস্মিত করে তা হল এদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যুবা, বেশির ভাগই শিক্ষিত বেকার৷ যত দ্রুত হারেই বৃদ্ধি ঘটুক না কেন আমাদের দেশে ইন্টারনেট এখনও দারিদ্রসীমাকে ভেদ করে সমাজের একেবারে নিচু তলায় পৌঁছতে পারেনি, তার পাশাপাশি আছে অশিক্ষার দুর্লঙ্ঘ্য প্রতিবন্ধকতা৷ ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় যাদের দৈনন্দিন অবাধ বিচরণ, তাদের আর্থিক অবস্থান মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্তের, সহায়-সম্বলহীন গ্রামবাসীর নয়৷ কিছুকাল আগেই ধর্মতলা চত্বরে একটি উগ্র হিন্দু সংগঠনের মিছিলে দেখেছিলাম সারি সারি যুবকের মুখ, অনেকেরই পেটানো চেহারা, রীতিমতো শারীরিক কসরত বিনা যা অসম্ভব৷ তারা কেউ আদুল গা, খালি পায়ে চলা জনতা নয়, রীতিমতো ধোপ-দুরস্ত, জিনস আর কায়দার টি-শার্ট শোভিত৷ অনেকের হাতেই পাকানো লাঠি, গলায় চেন, মুখে ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’ অনেকটা যুদ্ধের ভেরি-ঘোষণার কায়দায়৷ এদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান, এদের সোৎসাহ সমর্থন যদি গেরুয়া শিবিরের সম্পদ হয় তা হলে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে অতিশয় দুর্ভাবনার৷ হঠাৎ এত যুবা কেন বাংলার ঐতিহ্য-বিরোধী পথে হেঁটে ধর্মীয় জঙ্গিপনার দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে, এমন একটা পরিবেশে সরকার অথবা নাগরিক সমাজের ঠিক কী করণীয় তা নিয়ে কোথাও কোনও চর্চা দেখি না৷ সকলেরই ভাবখানা এমন, যেন এটা খুচরো উপদ্রব, মরসুমি অসুখের মতো, কিছুটা সময় গেলেই ফের স্থিতাবস্থা ফিরে আসবে৷ আজকের পশ্চিমবঙ্গে এর চেয়ে বড়ো আত্মপ্রবঞ্চনা আর কিছু আছে বলে আমার অন্তত মনে হয় না৷

একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা শোনানো যাক৷ দিন কতক আগে একজনের কুৎসিত মন্তব্য পড়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই তার প্রোফাইল খুলে দেখি ছেলেটির বয়স একুশ-বাইশ, ইংরেজিতে অনার্স, সচিন তেন্ডুলকর আর গৈরিক পতাকার সমান ভক্ত, বাংলা লেখার হাতটাও মন্দ নয়৷ মেসেঞ্জারে তার সঙ্গে কিছুক্ষণ গান্ধীগিরি করতেই সে বলে ফেলল, এলাকার দাদাদের টাকা দিতে পারেনি বলে তার চাকরি হয়নি, সেই ক্রোধ, জ্বালা আর অসহায়তাবোধই তাকে ঠেলে দিয়েছে জয় শ্রী রাম ব্রিগেডে৷ এই ছেলেটি আদতে ক্রমবর্ধমান সমতুল সমষ্টির একজন প্রতিনিধি মাত্র৷ ভুখা পেট বড়ো মারাত্মক ব্যাপার, এদের সংগঠিত করাটাও তুলনায় সহজ৷ তার সঙ্গে যদি ধর্মের মাদকতা যুক্ত হয় তা হলে সেই মিশেল অরণ্যের আগুনের লেলিহান শিখা হয়ে যে কোনও সময় ছড়িয়ে পড়তে পারে৷ পারার ইঙ্গিতগুলোও স্পষ্ট৷

বিধাতার কোন অভিশাপে এমনটি হয় বলতে পারব না, হকিকত হল আমরা এখন ‘পোস্ট ট্রুথ’ আর ‘পোস্ট ইডিওলজি’-র যুগে বাস করছি৷ সত্য কিংবা আদর্শ দু’টোই এখন অচল আধুলি৷ আজকের বাঙালি যুবাদের মধ্যে অনেকেই আর বিপ্লব করে সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখে না (যাদবপুর বা প্রেসিডেন্সির ক্যাম্পাস কিছুটা ব্যতিক্রম হলেও হতে পারে), দেশপ্রেম বলতে বোঝে মুসলিম-বিদ্বেষ আর পাকিস্তানকে গালমন্দ করা, সত্য-অসত্য, ন্যায়-অন্যায়ের মধ্যে তারতম্য বিধানে তাদের রুচি নেই, তারা ব্যক্তিগত প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির নিক্তিতে জীবনের বিচার করে৷ যারা দিতে পারে এরা তাদের শিবিরেই ভিড় জমায়, যারা দিতে পারে না বা পারবে না এরা তাদের মনুষ্যপদবাচ্য বলেই মনে করে না৷ করলে বামেদের শিবির হঠাৎই এমন ধূ-ধূ প্রান্তরের মতো দেখাত না৷ সচেতন ভাবে, সুকৌশলে গেরুয়া শিবির এদের মধ্যে যারা বঞ্চিত, তাদের সামনে বিকল্প প্রত্যাশার একটা মঞ্চ তৈরি করতে পেরেছে৷ সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ধর্মের নিশির ডাক৷ বড়ো দুঃসময়ের মধ্যে প্রবেশ করেছে আমাদের পশ্চিমবঙ্গ৷

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন