শিরোনাম :

ছাত্রলীগ নিয়ে ষড়যন্ত্র নতুন নয়


শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০১৫, ০৯:২২ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

ছাত্রলীগ নিয়ে ষড়যন্ত্র নতুন নয়

মানিক বৈরাগী হাজার বছরের বাঙ্গালী জনজাতি গোষ্ঠীর আরধ্য ভূমিপুত্র, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ত্যাগ ও পরিশ্রমে গড়ে তোলা ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এই ছাত্রলীগ বায়ান্নে’র ভাষা আন্দোলন বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, সত্তরের নির্বাচন সর্বোপরি একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বিজয় পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের সর্বস্তরের ছাত্রদের অধিকার আদায় ও বিজ্ঞানমূখী মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থার আন্দোলনে অন্যতম অগ্রণী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এই ছাত্রলীগ জন্ম থেকেই বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত চক্রান্ত ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যের শতবর্ষী ছাত্র সংগঠন হিসেবে স্ব-মহিমায় উজ্জ্বল, ভাস্বর। তবে আজকের এই পর্যায়ে আসতে ছাত্রলীগকে দেশী-বিদেশী সাম্প্রদায়িক, সামরিক ও কায়েমী স্বার্থ গোষ্ঠীর দ্বারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে ক্ষত বিক্ষত হতে দেখা গেছে। এইসব ষড়যন্ত্রে অনুচরেরও অভাব ছিলো না। তবে ছাত্রলীগ স্রোতসীনি নদীর মতো নিজ গতিতে তার অভিষ্ট লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বের ষড়যন্ত্রের ধারবাহিকতায় ছাত্রলীগকে ঘিরে নতুন চক্রান্ত ও বিভ্রান্ত ছড়ানোর অপপ্রায়স লক্ষ্য করা গেছে। এই অপপ্রয়াসে সমগোত্রীয় ও বিদ্বেষগোত্রের ষড়যন্ত্র এখনো উম্মোচিত না হলেও সাম্প্রতিক ভার্স্যুয়াল ও প্রিন্ট লাইনের আলোচনা-সমালোচনা দেখে নিম্নোক্ত এই প্রতিক্রিয়া। পঁচাত্তর পরবর্তী আওয়ামী পরিবারের চরম দূর্দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ছাত্রলীগের হাল ধরেছিলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি ছাত্রলীগের দুই দুই বার সভাপতি/সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবং ডাকসু নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বিপরীতে যারা ভিপি/জিএস নির্বাচিত হয়েছিলো তারা আওয়ামীলীগের সু’দিনে আওয়ামীলীগে যোগদান করলেও পূর্বের ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতির অভ্যাস পরিহার করতে পারেনি। এই না পারার কারণে মাহমুদুর রহমান মান্না আওয়ামীলীগে শেষ পর্যন্ত ঠিকে থাকতে পারে নি। মাহমুদুর রহমানতো বর্তমানে জেলেই আছেন। আর আক্তারজ্জামান বর্তমানে নিষ্ক্রিয়। দূর্দিনের সেই চরম অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে বর্তমান সময়ের ব্যস্ততম মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বর্তমান ছাত্রলীগ নিয়ে মন্তব্য প্রকাশ করেছেন বলে ধারনা করছি। তবে, সাবেক ছাত্রনেতাদের অনেকেরই পূর্বে বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রমূলক আচরণ মাথায় রেখেছি। ছাত্রলীগের অন্তঃদলীয় পূর্বের ইতিহাস খুব বেশি সুখকর নয়। স্বাধীনতার পরবর্তীতে ছাত্রলীগের অন্তঃদলীয় কোন্দল দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র সব মিলিয়ে দেখা গেছে ছাত্রলীগ বহুবার বিভক্ত হয়েছে। এবং কোন্দলে অনেক ছাত্রলীগের কর্মী প্রাণ হারিয়েছে। যেমন যুদ্ধাপরাধী মুসলিম লীগের নেতা দবির উদ্দিন প্রধানের ছেলে শফিউল আলম প্রধান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হন। এর কয়েকমাস যেতে না যেতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে একইরাতে সেভেন মার্ডারের কারণে সে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কিৃত হয়ে জেলে যান। পঁচাত্তর পরবর্তী অনেক জেলবন্ধী যুদ্ধাপরাধীদের জিয়া জেল মুক্তি দিলে শফিউল আলম প্রধানও সে সময় মুক্তি পান। পঁচাত্তরের তেসেরা নভেম্বর জাতীয় চার নেতা হত্যায় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কে এম ওবাইদুর রহমান নেতৃত্ব দেন। তিনি পঁচাত্তর পরবর্তীতে মেজর জিয়া বিএনপি গঠন করলে তার মহাসচিব মনোনীত হন। নব্বই দশকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগে মাঈনউদ্দিন হাসান চৌধুরী সভাপতি ও ইকবালুর রহিম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে আওয়ামীলীগের একটি উপদলীয় নেতা মোস্তফা মহসীন মন্টুর সমর্থক মিজান লনির নেতৃত্বে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাদলকে হত্যা করা হয়। একিভাবে মাঈনউদ্দিন হাসান ও ইকবালুর রশিদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত ছিল মিজান লনি। সেই মিজান-লনি অবশেষে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়। আর মোস্তফা মহসীন মন্টু আওয়ামীলীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে গণফোরামের রাজনীতি করছেন। নব্বই দশকের সৈরাচার এরশাদ বিরোধী ছাত্রনেতা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান একানব্বইয়ের জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় বিএনপিতে যোগদান করেন। বিগত জোট সরকারের সময়ে নব্বইয়ের সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতা তারেক রহমানের হাওয়া ভবনের সাথে সংযোগ থাকার অভিযোগে ডাক্তার জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকুকে আওয়ামী রাজনীতির দ্বারে কাছেও ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিয়ানব্বয়ে আওয়ামীলীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় এলে নব্বই দশকের সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক নুরুল ফজল বুলবুলকে এক্সিম ব্যাংক গঠনে অনুমতি দান ও ব্যংক গঠনে সহযোগীতা করেন। কিন্তু সে অনুযায়ী বিগত জোট সরকারের সময়ে তার ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। এসব নিরিখে ওবায়দুল কাদের বর্তমান সময়ের ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিয়ে সংঙ্কিত হয়ে নতুন কোন ষড়যন্ত্রের আভাসের ধারণায় হয়তো ছাত্রলীগকে উদ্দেশ্যে করে বলেছেন, ‘সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। খুব দ্রুত এই প্রবণতা কমে যাবে। ইতোমধ্যেই তারা বার্তা পেয়ে গেছে।’ উপর্যুপ্ত এসব কারণে ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগ নিয়ে এমন মন্তব্য করতেও পারেন। আরও একটি কারণ হচ্ছে ৯৬ এ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে বিগত জোট সরকারের শেষের দিকে রিপন-রোটন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনা নির্ধারিত বয়সের কোঠায় ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তৎসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক এক সহ-সভাপতির নেতৃত্বে ইঞ্জিনিয়ার ইনষ্টিটিউটে কাউন্সিল অধিবেশনে হামলা ও ভাংচুরের শিকার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় কেন্দ্রীয় অনেক নেতা লাঞ্চিত হন যার মধ্যে ওবায়দুল কাদের অন্যতম। তখন তৎকালীন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদারের সমর্থকেরা মৌখিক অভিযোগ করেন রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল হাওয়া ভবনের ইন্ধনে এই সন্ত্রাস চালিয়েছে। কোতোয়ালের সমর্থকেরা একই অভিযোগ লিয়াকত সিকাদের বিরুদ্ধে উত্থাপন করেন। কোতোয়াল গ্রুপের অভিযোগের মূল ভিত্তি হচ্ছে, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ঢাকায় একটি সরকারী কলেজের মাধ্যমিকে ছাত্র থাকাকালীন সময়ে জাতীয়বাদী ছাত্রদলের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ছিলো। বর্তমান সময়ে র্যা ব কর্তৃক ক্রসফায়ারে ছাত্রলীগ নেতা নিহত হওয়ার পেছনে যদি সমাজতাত্ত্বিক একটু বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখা যাবে কর্তৃত্ত পরায়ণ ছাত্র সংগঠন ও সরকার ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে ছাত্র সংগঠনের নেতাদের ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার হওয়ার নজির রয়েছে। তারই নিরিখে সম্প্রতি দেশের কয়েকটি স্থানে ক্রসফায়ারে সরকারী দল সমর্থক রাজনৈতিক কর্মী নিহত হওয়ার পেছনে সরকারী দল ও ভবিষ্যৎ ক্ষমতায় যেতে আগ্রহী রাজনৈতিক দল বা ব্যবসায়িক কোন গ্রুপ কর্পোরেট কোম্পানি জড়িত থাকতে পারেন। স্থানীয় ভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের টেন্ডার, ভূমিদখল, এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য, রাজনৈতিক অন্তঃদলীয় কোন্দল ছাড়াও বিভিন্ন সময় গোষ্ঠিগত নেতা কিংবা ক্ষমতা প্রত্যাশী রাজনৈতিক নেতা বা অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত গ্রুপ লিডাররা তাদের কায়েমী স্বার্থ রক্ষা ও বিরোধের জেরে অনেক সময় সরকারী ছাত্র সংগঠনের নেতাদের ব্যবহার করা হয়। ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের এসব নেতাদের নিজেদের অপকর্মের বাঁধা মনে করে থাকলে বা সম্ভাব্য শত্রু হিসেবে মনে করে- বিভিন্ন সময় সরকারী বাহিনী ব্যবহার করে ছাত্রনেতারা অপমৃত্যুর শিকার হয়। যেমন নারায়ণগঞ্জে র্যা ব কর্তৃক সেভেন মার্ডার। তেমনি ঢাকার হাজারীবাগে ছাত্রলীগ নেতা আরজু মিয়া র্যা ব কর্তৃক ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার পেছনেও একটি কারণ থাকতে পারে। এর পেছনে অত্র এলাকার আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এর কতৃত্বপরায়ণতা নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে। বা আরজুকে কোন সন্ত্রাসী গ্রুপকর্তারা তাদের অপকর্মের বাঁধা মনে করে থাকলে আগে বাগেই কোন একটি ইস্যু নিয়ে সরকারী বাহিনী (র্যা ব) ব্যবহার করে হত্যা করতে পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, হাজারীবাগ থানার অন্যান্য কতৃত্ব পরায়ণ অপরাধী নেতাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও স্বার্থন্বেষী গোষ্ঠী সরকারী সংগঠনের ছত্রছায়ায় বা নেতাদের সহায়তায় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে বিভ্রান্ত করতে পারেন। মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একজন রক্তে-মাংসে গড়া মানুষ হিসেবে প্ররোচনায় প্রভাবিত হতেও পারেন। সেই সূত্রে সাবেক ছাত্রনেতা ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য সারাদেশের ছাত্রলীগের অগণিত নেতাকর্মীদের মাঝে আবেগ-বিরাগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করি। তারই নিরিখে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীর প্রতিক্রিয়া সম্বলিত ফেইসবুকের মুক্তমতকে স্বাগত জানাই। তবে ছাত্রলীগের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত যে সব মুক্তমত ব্যক্ত করা হয়েছে সেই সব মুক্তমতকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে আলোচনা-পর্যালোচনা করা বাঞ্চনীয়। তাদের মুক্তমতগুলোকে যেনো ভিন্ন ও হীন রাজনৈতিক স্বার্থে ঘায়েল করার হাতিয়ার বানানো না হয়। ওবায়দুল কাদেরের মতো তার পূর্বসূরী ও সমসূরীরা ইদানিং ছাত্রলীগকে গালিগালাজ করলে ছাত্রলীগ বিরোধী অপশক্তির কাছে একটি উপাদেয় সন্দেশে পরিণত না হন। ওবায়দুল কাদের ও মহসিন আলী ছাত্রলীগকে গালাগালি না করে একদিনও ঢেকে বলেননি ছাত্রলীগকে মনস্তাত্বিক, সমাজতান্ত্রিক ও নৈতিক অবস্থান দৃঢ় করতে হবে। উপরোন্ত এসব মন্ত্রী এমপিরা নিজের হীনস্বার্থে ব্যবহার করতে না পারলে ছাত্রলীগ সম্পর্কে কটু মন্তব্য করতে দেখা যায়। একটি উদাহারণ দিয়ে আজকের মন্তব্য প্রতিক্রিয়া শেষ করতে চাই, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি দেশরতœ শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সম্মেলন ও কার্যক্রম নিয়ে ছাত্রলীগের দূর্দিনের ছাত্রনেতা ওবায়দুল কাদেরকে প্রধান করে একটি ওবায়দুল কাদের কমিশন গঠন করেছিলেন। এই কমিশনটি ছাত্রসমাজের কাছে ‘ওকে’ কমিশন হিসেবে পরিচিত এই কমিশন যখন থেকে শেখ হাসিনা বাতিল করেছে তখন থেকেই ওবায়দুল কাদেরকে বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগ নিয়ে কঠোর মন্তব্য করতে দেখা যায়। পরিশেষে বলি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের শহীদ মুজিব পরিবারের সদস্য শেখ ফজলুল হক মণির সুযোগ্য সন্তান ব্যারিষ্টার ফজলে নুর তাপসের সাম্প্রতিক মন্তব্যটি আমার কাছে যথোপযোক্ত বলে মনে হয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি ও কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয়সহ কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের ছাত্রলীগের কর্মীদের ফেইসবুকে লিখিত ও মৌখিক অনুভূতি মনে হয় নতুন কোন ষড়যন্ত্র ছাত্রলীগের সৃষ্টিশীল অগ্রযাত্রা রোধ করতে পারবে না। মুজিবাদর্শের রণতূর্যের সাবেক কর্মীরা তোমাদের সাথে আছে... জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু লেখক: কবি ও সাবেক ছাত্রনেতা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন