শিরোনাম :

 ছাত্রদল সভাপতি গ্রেফতার


বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ ২০১৮, ০৬:১৭ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

 ছাত্রদল সভাপতি গ্রেফতার

ডেস্ক প্রতিবেদন: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরেও গ্রেফতার এড়াতে পারলেন না ছাত্রদল উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজ। 

বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাবের সামনে ডিবি পুলিশের সদস্যরা চ্যাংদোলা করে, টেনে হিঁচড়ে রাজকে আটক করে নিয়ে যায়। এসময় রাজের পরিধেয় শার্ট প্যান্ট খুলে যায়।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম মিজানুর রহমানকে পুলিশ আটক করতে গেলে হুলুস্থুল বেধে যায়। একপর্যায়ে পুরো কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের যাঁরা নেতৃস্থানীয়, যাঁরা দল পরিচালনা করেন, তাঁদের বেছে বেছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আমরা আজকের এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১০ তারিখ শনিবার ঢাকা মহানগরের থানায় থানায় প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করছি।’

বিএনপির এইে নেতা অভিযোগ করেন, ‘আমাদের চোখের সামনে ঘটনাগুলো ঘটল। এতটুকু সৌজন্যবোধ তারা দেখায়নি যে সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সেখানে ছিলেন! তাদের সামনেই, আমাদের কর্মসূচি তারা শেষ করতে দেয়নি, সেই ভাবেই তারা আক্রমণ করেছে। আজকে এটা হামলা। আমরা পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ধিক্কার জানাচ্ছি।’

এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যে প্রক্রিয়ায় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কোনো স্বাধীন দেশে এইভাবে গ্রেপ্তার হতে দেখিনি। আমরা এটাকে তুলনা করতে পারি হিটলারের গেস্টাপো বাহিনীর সঙ্গে। অথবা অন্য ডিকটেটরেরা যেভাবে কাজ করেছে গণতান্ত্রিক কর্মীদের ওপর আক্রমণ অত্যাচার করেছে তাদের সঙ্গে।’

ফখরুল বলেন, ‘দেশনেত্রীকে কারাগারে নেওয়ার পর আমরা যতগুলো কর্মসূচি দিয়েছি, প্রত্যেকটি কর্মসূচি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। এতেই বোঝা যায়, সরকারের গাত্রদাহ হচ্ছে। যে কারণে আজকে তারা উসকানি দিয়ে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বানচাল করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে অন্যায়ভাবে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে আমাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘গতকালকের মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত বক্তব্য রেখেছেন এ বক্তব্য থেকে প্রমাণিত হয় গণতন্ত্র শুধু তাদের জন্য। এই দেশটা তাদের। এখানে অন্য কারও কোনো অবস্থান নেই। আমরা দুঃখের সঙ্গে বলছি অত্যন্ত হতাশার সঙ্গে বলছি, এই সরকার যে ব্যবস্থা চালু করল, এই অনৈতিক অবৈধ সরকার, এ ব্যবস্থা থেকে আবারও গণতন্ত্রে ফিরে আসা অত্যন্ত দুরূহ কাজ হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু, রুহুল কবির রিজভী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন