শিরোনাম :

তাড়াশে তিন হাজার হেক্টর রবিশস্য আবাদে বাধা


সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭, ০১:৫০ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

তাড়াশে তিন হাজার হেক্টর রবিশস্য আবাদে বাধা

চলনবিল প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশের চলনবিলে সরকারি খাল, নয়নজুলি ও জলাধারে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবৈধ সোতিজাল পাতায় পানি প্রবাহের পথ সঙ্কুচিত হয়ে বিস্তীর্ণ মাঠ থেকে ধীরগতিতে বন্যার পানি নামছে। ফলে ভাটি অঞ্চলের তিন হাজার হেক্টর রবিশষ্য আবাদ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষক। এদিকে মাসের পর মাস ধরে সোতিজাল পেতে মাছ নিধন করায় ভরা মৌসুমেও ডোবা-নালায় দেশীয় প্রজাতির মাছের আশানুরুপ দেখা মিলছেনা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন, গত বছরও পানি প্রবাহের পথে সোতিজাল পেতে বাধা সৃষ্টি করায় দুই হাজার দুইশ হেক্টর জমিতে রবিশষ্য আবাদ করা সম্ভব হয়নি। এ বছরও তিন হাজার হেক্টর রবিশষ্য আবাদ সোতিজালের প্রতিবন্ধকতায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আর মৎস্য বিভাগ ভুক্তভোগীদের একাধিকবার সোতিজাল উচ্ছেদের দিয়ে মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কিছুই করতে পারছেন না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল-ভেটুয়া এলাকা এবং মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের গবর জঙ্গল-চরকুশাবাড়ি এলাকার বেশ কয়েকটি স্থানে অবৈধ সোতিজাল পেতেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। মাছ নিধনের জন্য এসব সোতিজালের আশ-পাশের বেশ খানিকটা জুড়ে পানিতে বাঁশ পুতে চিকন পাশের জাল আর পলেথিন দিয়ে পানি প্রবাহের পথগুলোতে বাধার সৃষ্টি করে রেখেছে। ফলে বিস্তীর্ণ মাঠ থেকে বন্যার পানি নামতে দেরি হচ্ছে। সোতিজালের কারণে উজান থেকে ভাটিতে পানির পরিমান এক হাতেরও বেশি ব্যবধানে রয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী কৃষক রহিম উদ্দিন, জব্বার মিঞা, বাছেদ প্রামানিক, আব্দুই হাই জানান, মাস খানেক আগেই তাদের চাষাবাদের জমি থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার কথা।কিন্তু বিভিন্ন স্থানে সোতিজাল থাকায় পানি নামতে দেরি হচ্ছে।তারা এও বলেন, কোন-কোন মাঠ থেকে পানি নেমে গেলেও এখন পর্যন্ত কর্দমাক্ত হয়ে আছে।এসব মাঠে জমির কাঁদা শুকিয়ে উপযোগী হতে হয়তবা রবিশষ্য আবাদের মৌসুম শেষ হয়ে যাবে।এ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব জিতু জানান, মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে শিগগিরই কার্যকরী পদক্ষেপ

এলএস

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন