শিরোনাম :

শিশুদের স্মার্ট ঘড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ


বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ০২:২৩ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

শিশুদের স্মার্ট ঘড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বাজারে বেশকিছু স্মার্ট ঘড়ি পাওয়া যায়, যেগুলো শুধু শিশুদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা।তবে ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে নজরদারি করা সম্ভব, এমন অভিযোগ এনে দেশটিতে শিশুদের স্মার্ট ঘড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে জার্মানিতে। শিশুদের জন্য তৈরি স্মার্ট ঘড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ করার আগে জার্মানিতে একই অভিযোগে ইন্টারনেট কানেক্টেড পুতুল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। দেশটির টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল নেটওয়ার্ক এজেন্সির পক্ষ থেকে এ ধরনের স্মার্ট ঘড়ি থাকলে অভিভাবকদের তা ধ্বংস করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

পেন টেস্ট পার্টনার্স নামে একটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ কেন মুনরো জানিয়েছেন, জার্মানির এ সিদ্ধান্ত ইন্টারনেট কানেক্টেড ডিভাইসের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে কাজ করবে। কারণ দুর্বল নিরাপত্তাসংবলিত স্মার্ট ডিভাইস প্রায়ই ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের কারণ হয়ে ওঠে। কাজেই শিশুদের ব্যবহার উপযোগী স্মার্ট ডিভাইসের ক্ষেত্রে আরো বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। জিপিএস ট্র্যাকিং ফিচারের মাধ্যমে শিশুর সার্বক্ষণিক অবস্থান জানতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করা হয়।

বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট কানেক্টেড ডিভাইস বা ইন্টারনেট অব থিংস ব্যবহারের যে নীতিমালা তাতে বড় ধরনের ত্রুটি আছে, যা কাজে লাগিয়ে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অনিরাপদ স্মার্ট ডিভাইস বিক্রির সুবিধা পাচ্ছে। গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ নীতি প্রয়োগ করে এ ধরনের স্মার্ট ডিভাইস নিষিদ্ধ করতে পারাটা পটপরিবর্তনকারী হতে পারে। অনিরাপদ স্মার্ট ডিভাইস নির্মাতাদের ঠেকানো এবং শিশুর নিরাপত্তা জোরদারে এটিই একমাত্র কার্যকর উপায়।

ফেডারেল নেটওয়ার্ক এজেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অনলাইনে এ ধরনের ডিভাইস বিক্রি করছে এমন অনেক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর আগে দ্য নরওয়েজিয়ান কনজিউমার কাউন্সিল (এনসিসি) গত অক্টোবরে শিশুদের স্মার্ট ঘড়ি বিষয়ে সতর্ক করেছিল।

এনসিসির তথ্যমতে, শিশুদের জন্য তৈরি স্মার্ট ঘড়িতে বড় ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা সহজেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। কয়েকটি ব্র্যান্ডের স্মার্ট ঘড়ি পরীক্ষা করে নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে পাওয়ার তথ্য জানানো হয়েছিল। ডিভাইসগুলোর নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীর চলাফেরা ট্র্যাক করা, আড়ি পেতে শোনা অথবা পরিধানকারীর সাথে কথা বলা সম্ভব।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন