শিরোনাম :

দীর্ঘতম যাত্রায় সৌরচালিত বিমান


সোমবার, ১ জুন ২০১৫, ০২:৫৩ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

দীর্ঘতম যাত্রায় সৌরচালিত বিমান

কোনো গ্যাসোলিন কিংবা জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়াই একটি উড়োজাহাজ আকাশে উড়বে পাঁচ দিন, পাঁচ রাত। শুধু সৌরশক্তির ওপর ভর করে এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশ পাড়ি দেবে সোলার ইমপালস নামে এই বিমান। সিএনএন জানিয়েছে এ খবর। পথ কম নয়, প্রায় আট হাজার কিলোমিটার। পাঁচ দিনে পাড়ি দিতে হবে এই পথ। যাত্রা শুরু হবে চীনের নানজিং থেকে, সমাপ্তি ঘটবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপে। মানব ইতিহাসে সৌরচালিত বিমানের এটিই সবচেয়ে দীর্ঘতম যাত্রা। এই দুঃসাহসিক যাত্রায় একাই অংশ নিচ্ছেন সুইস পাইলট আদ্রে বোর্শবার্গ। তাঁর মতে, সেই মুহূর্তগুলো হবে ‘মোমেন্ট অব ট্রুথ’। যাত্রা শুরু হয়ে গেছে রোববার। অবশ্য প্রথমে একটু আবহাওয়ার হ্যাপা সামলাতে হয়েছে। এর আগে দুনিয়ার অনেকখানি অংশ উড়াল দিয়ে এসেছে সোলার ইমপালস। মূলত পুরো পৃথিবী ভ্রমণের অংশ হিসেবে এ দূরত্ব পার করবে সৌরযানটি। প্রাথমিকভাবে পাঁচ দিনের পরিকল্পনা থাকলেও আবহাওয়ার কারণে হয়তো ষষ্ঠ দিনে গিয়ে ঠেকতে পারে এই অভিযান। ১৩০ ঘণ্টার এই বিশাল অভিযান নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত ৬২ বছরের দুঃসাহসিক পাইলট বোর্শবার্গ। ক্ষণে ক্ষণে তাঁর টুইট থেকে সে ব্যাপারটা বেশ ভালো বোঝা যাচ্ছে। তবে পাইলটের কাজটি মোটেই সহজ নয়। এই ১৩০ ঘণ্টার লম্বা সময় তাঁকে কাটাতে হবে ৩ দশমিক ৮ বর্গমিটারের ককপিটে। এই ককপিটের সিটই তাঁর জন্য বিছানা কিংবা প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দেওয়ার স্থান! পাঁচ দিনের যাত্রায় অটোপাইলট মোড চালু করে ঘুমানোর সুযোগও পাবেন তিনি। তবে লম্বা ঘুম নয়, মিনিট বিশেকের জন্য নির্ধারিত এই ঘুম। এই কাজের জন্য অবশ্য তাঁকে এবং আরেক সোলার ইমপালস পাইলট বার্টার্ড পিকার্ডকে নিতে হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ, শিখতে হয়েছে ইয়োগা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন