শিরোনাম :

ল্যাপটপ ব্যবহারে প্রয়োজনীয় কিছু টিপস


বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০১৫, ০১:৫১ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

গুরুত্বের কারণেই হোক অথবা প্রয়োজনে যত্নে রাখুন প্রিয় কাজের ল্যাপটপ। জানিয়ে দিচ্ছি কিছু দরকারি কিছু টিপস। ঠাণ্ডা রাখুন সবসময় আপনার ল্যাপটপ যত গরম হবে ল্যাপটপের ততই সমস্যা বাড়বে। এজন্য চেষ্টা করবেন যতটুকু সম্ভব ল্যাপটপ ঠাণ্ডা রাখতে। আপনার যদি অভ্যাস থাকে বিছানা, বালিশ কিংবা কুশন টেবিল হিসেবে ব্যবহার করে ল্যাপটপ চালান তাহলে নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন। কারণ এর ফলে ল্যাপটপটির বাতাস চলার পথ বন্ধ হয়ে এটি ক্রমশই গরম হয়ে উঠবে। ল্যাপটপের ভেতরটা গরম বা ঠাণ্ডা রাখার ব্যাপারে সরাসরি আপনার হাতে না থাকলেও বাইরে থেকে একে ঠাণ্ডা রাখার উদ্যোগ অবশ্যই আপনি নিতে পারেন। এজন্য ব্যবহার করতে পারেন কুলিংপ্যাড যা দুই বা ততোধিক ইউএসবি পাওয়ার ও ফ্যানের সাহায্যে ল্যাপটপ থেকে তাপ হটায়। বাজারে অ্যানটেক, ডাটা সেক্টর, টারগাস কোম্পানির কুলিং ফ্যান পাওয়া যায়। ল্যাপটপ শক্ত মসৃণ স্থানে ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখুন ব্যাটারির যতই সময় যাবে, ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু ততই কমতে থাকবে। কত দ্রুত এটি ঘটবে তা নির্ভর করে আপনার ব্যবহারের উপর। সাধারণ ব্যবহারের পর আস্তে আস্তে ব্যাটারির আয়ু ক্ষয় হতে থাকে। যখন মেইন পাওয়ার থেকে চালাবেন না শুধু ব্যাটারি দিয়ে চালাবেন তখন খেয়াল রাখবেন ব্যাটারির প্রায় চার্জ শেষ হওয়া পর্যন্ত চালাবেন। মাঝখানে চার্জ দিতে শুরু করলে ব্যাটারির আয়ু কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সুযোগ থাকলে মেইন পাওয়ার দিয়ে ল্যাপটপ চালানোই উত্তম। তবে সপ্তাহে কমপক্ষে একবার থেকে দুবার ব্যাটরির চার্জ সম্পূর্ণ শেষ করে নতুন করে চার্জ দেওয়াটা ব্যাটারির জন্য ভালো। রিফরম্যাট করুন হার্ডড্রাইভ আপনার ল্যাপটপের হার্ড ড্রাইভকে রিফরম্যাট করুন করে পুনরায় অপারেটিং সিস্টেমে ইনস্টল করুন। যদিও এটি সময় সাপেক্ষ কাজ তারপর ও ভালো ফল পাবেন। প্রয়োজনীয় ডাটা ও ফাইলের ব্যাকআপ নিতে ভুলবেন না। এই কাজটি বছরে একবার করলেই আপনি অনেক সুবিধা পাবেন। বহন করুন সাবধানে গঠনগত দিক থেকেই ডেস্কটপের চাইতে ল্যাপটপ অনেক বেশি স্পর্শকাতর। কাজেই ল্যাপটপকে সাবধানে ব্যবহার যেমন করবেন তেমনি সাবধানে এটিকে বহনও করতে হবে। এটিকে বহন করার জন্য এমন একটি ব্যাগ ব্যবহার করুন, যা আপনার ল্যাপটপকে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিবে। যানবাহনে আপনার ল্যাপটপকে সাবধানে সঙ্গে নিন যাতে কোথাও ধাক্কা না লাগে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, আপনি ল্যাপটপের প্রতি মনোযোগী হলেই নিজেই বুঝতে পারবেন কিভাবে আপনার গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রটি ব্যবহার করবেন। পরিষ্কারের সঠিক টুলস ঘর পরিষ্কারের জন্য আমরা অনেক কিছু ব্যবহার করে থাকি। অনেকে একই জিনিস ব্যবহার করেন ল্যাপটপ ও পিসি পরিষ্কারে। এটা ঠিক নয়। ল্যাপটপ খুবই স্পর্শকাতর। বিশেষ করে এর স্ক্রিন ও টার্চ প্যাড। উপযুক্ত উপাদান ব্যবহার করা না হলে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই পরিষ্কারের সময় ল্যাপটপের উপযোগী স্ক্রিন ক্লিনার, স্প্রে ও কাপড় ব্যবহার করুন। কানেক্টর ব্যবহারে সাবধানতা ল্যাপটপের চারপাশে অনেক সকেট থাকে। এগুলো সাধারণত ইউএসবি, অডিও ও নেটওয়ার্ক কানেক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যে কোনো ধরনের কানেক্টর ব্যবহারে সাবধানতা দরকার। অনেক সময় বেশি চাপ দিয়ে কানেক্টর ঢুকাতে গেলে সকেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ল্যাপটপের যত্নে সাধারণ কিছু টিপস ৫০০x২৯৫ ল্যাপটপের যত্নে সাধারণ কিছু টিপস কিন্তু কাজে আসবে অসাধারণ ধূমপান নিষেধ ধূমপানে আপনি যে ধরনের রসায়ন গ্রহণ করেন, ল্যাপটপও তা গ্রহণ করে। তাই ধূমপান ল্যাপটপের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া ও ধুলো ল্যাপটপের ক্ষতি করে। রান্নাঘর থেকে দূরে রান্নাঘর থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুন। নিকোটিনে যে ধরনের সমস্যা, একই ধরনের সমস্যা রান্নাঘরেও। এ ছাড়া রান্নাঘরের বাতাসে প্রচুর জলীয় বাস্প ও চর্বি থাকে, যা ল্যাপটপের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। যারা রান্নাঘরে বসে কাজ করতে পছন্দ করেন বা করেত বাধ্য- তাদের উচিত এয়ার ভেন্টস ও ফ্যানের ব্যবস্থা করা। তবে সহজ সমাধান হলো রান্নাঘরে ল্যাপটপ নিয়ে না যাওয়া। পাওয়ার সকেটের প্রতিরক্ষা অনেকে ল্যাপটপের পাওয়ার সকেট নিয়ে যত্নবান নন। ব্যবহারের পর যেমন তেমনভাবে ঝটকা মেরে কেবলটি খুলে নেন। এটা ঠিক নয়। এটি যত্নের সঙ্গে ব্যবহার করুন। কেবল ও কানেক্টর পরিষ্কার রাখুন। চার্জ দেওয়ার সময় ফ্লোরের উপর ছড়িয়ে রাখবেন না। চেষ্টা করুন যাতে এর বেশির ভাগ অংশ টেবিলের উপর থাকে। তা না হলে অনেক সময় টান লেগে ল্যাপটপ পড়ে যেতে পারে। ভাইরাসের প্রবেশ নিষেধ বাহ্যিকভাবে আমরা নানা ধরনের যত্নআত্তি নিতে পারি। কিন্তু ভেতরে কী করব? এর প্রথম সূত্র হলো সবসময় ল্যাপটপকে ভাইরাসমুক্ত রাখা। অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডাউনলোড ও ইউএসবি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করুন। প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ ও ওয়াইফাই বন্ধ রাখুন। সব সময় হালনাগাদ অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। ব্যাকআপ ফাইল আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যারের ব্যাকআপ রাখুন। দরকার হলে সিডি, ডিভিডি বা এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করুন। হাইবারনেট চালু করতে পারেন শাটডাউন ও স্লিপের বদলে হাইবারনেট অপশন ব্যবহার করুন, যা আপনার সে মুহূর্তের কাজগুলো একটি ফাইলে জমা রেখে আপনাকে এমন একটি অবস্থায় নিয়ে যাবে, যা প্রায় বিদ্যুৎ ব্যবহার না করারই সমান। পরবর্তী সময়ে সিস্টেম রিজিউম করলে আপনার সকল কাজ আগের জায়গা থেকে করতে পারবেন। সিডি ও ডিভিডির ব্যবহার সব সময় হার্ডডিস্ক থেকে মুভি ও গান চালানোর চেষ্টা করবেন। এতে ডিভিডি রমে চাপ কম পড়ে ও বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। ব্যাকআপ ফাইল : আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যারের ব্যাকআপ রাখুন। দরকার হলে সিডি, ডিভিডি বা এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করুন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন