শিরোনাম :

সেই কালরাতে যারা শহীদ


শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০১৫, ০১:১৬ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

সেই কালরাতে যারা শহীদ

এইচ হাসান: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে (১৪ আগস্ট দিবাগত রাতে) কাপুরোষোচিত আক্রমণ থেকে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যরাও রেহাই পাননি। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সংগ্রামে যিনি ছায়ার মতো পাশে থেকে মনোবল দিয়েছেন, সেই সাহসীনী বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ঘাতকদের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাননি। বরং মাথা উঁচু করে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী হয়ে চলে গেলেন দেশের তরে।

ঘাতকের বুলেট থেকে বঙ্গবন্ধুর তিন ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, শেখ জামাল ও নিষ্পাপ শিশুপুত্র শেখ রাসেলও রেহাই পাননি। বঙ্গবন্ধুর নিজের পছন্দের পুত্রবধু সুলতানা কামাল দেশের একজন খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ এবং আরেক পুত্রবধু রোজী জামাল এদিন শহীদ হয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের পায়ের সমস্যা নিয়েও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। তার মতো শান্ত ও বিচক্ষণ প্রগতিশীল মানুষকেও ঘাতকরা হত্যা করেছে ওই রাতে। বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তার জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্ণেল জামিল, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও ধানমন্ডির বাড়িতে হত্যা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে শেখ ফজলুল হক মণি, তাঁর অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় বেন্টু খানকে হত্যা করে ঘাতকরা।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে বিভিন্ন ঘরে ও একাধিক বাড়ি হতে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার এবং নিকট আত্মীয়সহ মোট ২৬ জনকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানীতে অবস্থান করার কারণে তারা প্রাণে বেঁচে যান।

বাংলাপ্রেস.কম.বিডি/এপি

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন