শিরোনাম :

‘আমাকে হাসু আপার কাছে পাঠিয়ে দিন’


শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০১৫, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

‘আমাকে হাসু আপার কাছে পাঠিয়ে দিন’

এইচ হাসান: ‘আমাকে হাসু আপার (শেখ হাসিনা) কাছে পাঠিয়ে দিন।’ মায়ের লাশ দেখার পর অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে এভাবেই মিনতি করেছিল বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল।

ঘাতকরা তাও শুনেনি। ব্রাশ ফায়ার করে তার মায়ের লাশের উপড় তাকেও শুইয়ে দিয়েছিল। এ যেন আরেক কারবালা। আর সীমারের ভূমিকায় ছিল সম্মিলিত ঘাতকরা।

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। বাড়ির ছোট্ট ছেলে হিসেবে সবার আদরের ছিল। রাজনৈতিক পরিবেশ ও সঙ্কটের মধ্যেও সে চির সঙ্গী সাইকেল নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখতো।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন দীর্ঘ নয়মাস পিতার অদর্শন তাকে এমনই ভাবপ্রবণ করে রাখে যে, পরে সব সময় পিতার কাছাকাছি থাকতে জেদ করতো। আগস্টের সে রাতে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবাইকে হত্যা করে তাদের লাশ দেখিয়ে তারপর রাসেলকে হত্যা করা হয়। তাকে কাজের লোকজন পেছনের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নিয়ে যায়। কিন্তু ঘাতকরা তাকে দেখে ফেলে। বুলেটবিদ্ধ করার পূর্বে ওয়্যারলেসের মাধ্যমে অনুমতি নেওয়া হয়।

বাংলাপ্রেস.কম.বিডি/এপি

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন