শিরোনাম :

অচ্যুত সামন্ত : আবাদ করেন মানব সোনা


শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

অচ্যুত সামন্ত : আবাদ করেন মানব সোনা

অদ্বয় দত্ত: কিছু কিছু সফল মানুষ আছেন, যাঁদের সাফল্যের কাহিনী শোনার পর চোখের কোণে বিস্ময়ের ঘোর লেগে থাকে দীর্ঘসময়। ভারতের ওড়িশা রাজ্যের অচ্যুত সামন্ত এমনই এখন মানুষ। তাঁর বাবা ১৯৬৯ সালে যখন ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হন, তখন তিনি চার বছরের শিশু মাত্র। আট ভাইবোনোর সংসারে বাবার অকালমৃত্যুর পর চরম অর্থাভাবে পড়ে তাঁদের পরিবার। ওড়িশার আদিবাসী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একজন তিনি। এই আদিবাসীরা এতটাই গরিব যে, পড়ালেখা দূরের কথা কোনোরকমে বেঁচে থাকার জন্য খাবার যোগাড় করতেই জীবন পার হয়ে যায়। অচ্যুত সামন্ত এমনিতে দরিদ্র্যের গর্তে পড়েই ছিলেন, সংসারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যু যেন তাদের ৯ সদস্যের পরিবারকে গহিন গহ্বরে ফেলে দেয়। এই গহ্বর এমনই এক চোরাবালি যে, সেখান থেকে উদ্ধার পেতে বেশি চেষ্টা তথা নড়াচড়া করতে গিয়ে অনেক সময় আরও অতলে ডুবে যেতে হয়। কিন্তু যারা বিরল কৌশলে, বিস্ময়কর নৈপূণ্যে বের হয়ে আসেন এই ভয়াবহ গহ্বর থেকে, বৃত্ত থেকে, তাঁরা নিজেরাই এক একটা ‘বিস্ময়’ হয়ে ওঠেন। সেই বিস্ময়ের সীমা থাকে না যখন এমনই একজন বৃত্তভাঙা মানুষ দারিদ্র্যের বৃত্ত ভাঙার ব্যবস্থা করেন হাজার হাজার শিশুর জন্য। মাত্র কয়েক লাইনে কথাগুলো বলা গেল বটে, কিন্তু তাঁর বিস্ময়কর কর্মযজ্ঞ যত দেখা যায়, যত শোনা যায়, ততই যেন আমাদের মাথা ঘুরে যায়। তিনি, অচ্যুত সামন্ত, এ কারণেই ওড়িয়ার বিস্ময়কর মানব। প্রথমবারের মতো তিনি বাংলাদেশে তিনদিনের সফরে আসেন এ বছর ৫ মার্চ। ঢাকায় তাঁকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে আরও বেশি চমকে যাই। তাঁর অর্জনের কথা বিস্তারিত বলার আগে বলা দরকার ব্যক্তি তিনি সামনে থেকে কেমন মানুষ? গল্পকথা বা কল্পকাহিনীতে একজন মহামানবের পক্ষে যতটা অনাড়ম্বর, যতটা সাদাসিদে আর সাধারণ হওয়া সম্ভব, সেই কল্পনারই যেন জীবন্তরূপ তিনি। ঢাকার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তাঁকে যেদিন সম্মানসূচক ডি-লিট-এ ভূষিত করে সেদিন সন্ধ্যায় তাঁর সঙ্গে নিভৃতে স্বল্পসময়ের জন্য কথা হয়। সাক্ষাতের সময় বারবার তাঁর চোখের দিকে তাকাই। তাঁকে ঘিরে চারদিকে উৎসবের যে জৌলুস, তা যেন তাঁকে কেমন ক্লান্ত করে ফেলেছে। যেন খালবিলে খেলে বেড়ানো মীন একটি বদ্ধ ছোট্ট গোলাকার অ্যাকিউরিয়ামে আটকে গেছে! তাঁর চোখের ভেতরে লেগে রয়েছে অরণ্যের ছায়া। তাঁর শরীরের আড়ষ্টতায় খেলে বেড়াচ্ছে মাটির সোঁদা গন্ধ। যেই বিস্ময়কর সাফল্যের মহানায়ক তিনি, তিনি যেন রাজা হয়েও এখনও গরিবেরও গরিব। এখনও দুকামরার ভাড়া বাসায় শূন্য সেভিংসে দিন গুজরান করেন। বিয়ে করেননি এই কারণে যে, তার যে শত শত পরিবার! তার যে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে। সব ছাত্রছাত্রীই তাঁর কাছে সন্তানতুল্য, সব আদিবাসী দীন পরিবারই তাঁর পরিবার। তিনি যেন প্রতিমুহর্তে উপলব্ধি করেন তাঁর শেকড়কে, তাঁর ভয়াবহ দৈন্যঅতীতকে। তিনি কি তবে জানতেন রামপ্রসাদের সেই গান-‘এই মানব জনম রইল পতিত/ আবাদ করলে ফলতো সোনা’? নিশ্চয়ই জানতেন। না-হলে কি করে বুঝলেন, তাঁর মতোই যাঁরা দীনদরিদ্র্য, তাঁদের মস্তিস্কের নিউরণে চাষাবাদ করলে তিনিও সোনা ফলাতে পারবেন। তাদের পেশাভিত্তিক শিক্ষায় প্রশিক্ষিত করলেই ভেদ করতে পারবেন দারিদ্র্যের চক্রব্যূহ। এটাকে একজন অসাধ্যসাধকের বিস্ময়কর কাহিনী বললেও কম বলা হয়। তিনি মেধাবী ছাত্র ছিলেন বটে। কিন্তু আট জনের অভাবের সংসারে কী করে পড়ালেখা চালিয়ে গেলেন, সেটা বিস্তারিত জানতে তাঁর আত্মজীবনী লেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তিনি টিউশনি করে পড়ালেখার খরচ চালিয়ে ওড়িশার উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি নেন রসায়নে। পিএইচ.ডি করেন সমাজবিজ্ঞানে। উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করে চাকরি নেন একটি কলেজের লেকচারার পদে। এতখানি অর্জনের পর সাধারণত অধিকাংশ মানুষের জীবনই ধরাবাঁধা ছকে চলে যায়। অচ্যুত সামন্ত ব্যতিক্রম এখানেই। কিছু দিন চাকরি করার পর তিনি ঠিক করলেন, ছেলেবেলায় তাঁর পড়াশোনা চালাতে যে রকম অসুবিধা হয়েছিল, সে রকম অসুবিধাতে এ কালের অনেক ছাত্রও তো পড়ে। তাদের জন্যে কিছু একটা করা দরকার। সম্পূর্ণ একার উদ্যোগে স্কুল-কলেজ গড়ায় মন দিলেন। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত কলেজ পেয়ে গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা। সে মর্যাদা পেতে হলে অনেক শর্ত পূরণ করতে হয়। হলো নিজস্ব ভবন। এবং পর পর তৈরি হতে লাগল মেডিক্যাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি পাঠের জন্য পৃথক ব্যবস্থা। মাত্র দু’দশকের মধ্যে এক সুবৃহৎ প্রতিষ্ঠান। ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরের অদূরে এক বিশাল ক্যাম্পাস, সুদৃশ্য বাড়িগুলি তথ্যচিত্রে যেটুকু দেখা গেল তা এককথায় নয়নাভিরাম। এ পর্যন্ত পড়ে মনে হতে পারে, চমকপ্রদ সাকসেস স্টোরি, কিন্তু অবিশ্বাস্য কিছু নয়। এত সব কিছু গড়ে তোলার জন্য অচ্যুত সামন্ত কোনো প্রকার সরকারি সাহায্যের মুখাপেক্ষী হননি। মাত্র পাঁচ হাজার টাকায় একটা ভাড়াবাড়িতে কিট শুরু করেছিলেম। লোকে তাকে পাগল বলতো। কিট-কে দাঁড় করাতে ঋণ করতে হয়েছিল অনেক টাকা। মাত্র তিন বছরে ১৯৯৬ সালে তাঁর ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকায়। সে সময় ওই অর্থে তাঁর ইনস্টিটিউটের কোনো আয় ছিল না। যাঁরা লোন দিয়েছিল, তারা বারবার তাদের পয়সা ফেরত চাইছিল। তিনি আর কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। মনে হয়েছিল, অঅগ্মহত্যা না করে উপায় নেই তার। তার পরই একটা ন্যাশনাল ব্যাংক তাঁকে সহায়তায় করে ৩০ লাখ রুপি লোন দিয়ে। সংকট কাটিয়ে উঠে নতুন যাত্রা শুরু করেন তিনি। এবং এর পর সেই অবিশ্বাস্য ঘটনা। উচ্চমানের শিক্ষা ব্যবস্থায় সার্থকতা অর্জনের পর অচ্যুত সামন্ত শুরু করলেন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সেস। সংক্ষেপে কিস। এখানে শুধু আদিবাসী সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ। না, কয়েক শ নয়, বিশ হাজার ছাত্রের জন্য হস্টেল। অচ্যুত সামন্ত আদিবাসী সম্প্রদায়ের দুর্বিষহ জীবনকে স্বাভাবিক করতে মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা, পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণকে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কন্যাশিশু হত্যা বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় কিস-এর মাধ্যমে। ‘কিস’ শুরু হয়েছিল মাত্র ১২৫ জন আদিবাসী ছেলেমেয়েদের দিয়ে। স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, বাসস্থান শিক্ষা ও চিকিৎসা- পাঁচটি মৌলিক অধিকারই এখানে একযোগে দেওয়া হয়। পড়ালেখা করানো হয় কেজি (কিন্ডারগার্টেন) থেকে পিজি (পোস্ট গ্রাজুয়েশন)। এর সবকিছুই করা হয় বিনামূল্যে। এর ফলাফল হয় বৈপ্লবিক। এই গরিবের চেয়েও গরিব ছেলেমেয়েরা শিক্ষার শক্তিতে জেগে ওঠে। প্রকৃত মানবসম্পদ হয়ে ওঠে। পনের লাখ বর্গফুটের ক্যাম্পাসটির ভেতরে রয়েছে আধুনিক সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁর নতুন স্বপ্ন হলো এই বিশ হাজার সংখ্যাটাকে ২ লাখে উন্নীত করা আগামী ৬ বছরের ভেতরে। সারা বিশ্বে আর কোথাও- এক সঙ্গে বিশ হাজার আদিবাসী সন্তানদের খাওয়া, থাকা, লেখাপড়ার ব্যবস্থা, সব বিনা খরচেÑনা, আর কোথাও নেই। এর জন্য যে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন তা আসে কোথা থেকে? ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল কলেজ চালিয়ে যথেষ্ট উপার্জন হয় তো বটেই, সেই উপার্জন ব্যয়িত হয় আদিবাসী কল্যাণে। অথচ এই আদিবাসীদের অনেকের বাসস্থান ও জীবন নষ্ট হয়ে পড়ছিল নানা কারণে। শিল্পকারখানা স্থাপন, খনিখনন, অরণ্যধ্বংসের কারণে তাদের বাসস্থান হয়ে আসছিল সঙ্কুচিত। এ কারণে প্রথাগত জীবন পরিচালনার জন্য যা যা প্রকৃতি থেকে পাওয়া যেতে পারে তা ক্রমশ কমতে শুরু করে। প্রায় শূন্য যোগাযোগব্যবস্থা, দারিদ্র্য, অপুষ্টি, অশিক্ষা আর অন্ধবিশ্বাসের প্রকোপে তাদের অবস্থা আরও সঙ্গিন হতে থাকে। ভাগ্যপরিবর্তনের জন্য কেউ কেউ বিপদগামী হয়ে মাওবাদীদের দলে ভিড়েছিল, স্বপ্নে বিভোর ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের। অচ্যুত সামন্তকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে সেই সব আদিবাসী ছেলে মেয়ে, যারা সুযোগ পেয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাদের ‘মানব জনম’ তথা মেধা’র আবাদ করলে তারাও ফলাতে পারে ‘সোনা’। আদিবাসীদের আবাসস্থলে কয়লা থেকে নানা খনিজ পদার্থের খনি রয়েছে, পুজিবাদীদের নজর সেদিকে। কিন্তু আদিবাসীদের মস্তিষ্কও যে ঠিকমতো আবাদ করলে সেখান থেকে যে সোনা ফলতে পারে, তা-র আবিষ্কর্তা অচ্যুত সামন্ত। বনফুল যে মনভোলানী সুগন্ধী বিতরণ করতে পারে, তার সৌন্দর্য যে ছাপিয়ে যেতে পারে নন্দনকাননের সুপরিচর্যিত যেকোনো ফুলকেও, তারই উন্মোচন ঘটিয়েছেন অচ্যুত সামন্ত। তিনি বুঝেছিলেন, শিক্ষাদীক্ষায় যে ‘মানুষ’ তৈরি করা হয় তারাই তো তৈরি করেন ‘সভ্যতা’। ব্যবস্থাপনার এক বিস্ময়কর মস্তিষ্ক রয়েছে তাঁর। নয়তো কি করে সম্ভব এমন বিশাল সুশৃঙ্খল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার? তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ আচার্য। ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকেননি। জীবিত থাকতেই দেখতে চেয়েছেন তার অবর্তমানে অন্যের নেতৃত্বে কীভাবে পরিচালিত হয়ে তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত প্রতিষ্ঠান। এ সব কিছুই তাঁর ‘আর্ট অব গিভিং’- প্রতিদানের শিল্প। এটা এমন একটা ভাবনার প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়, যাকে বলা যায় ‘আর্ট অব লিভিং’। তিনি সেই শিল্পসত্তায় বসবাস করেন। শিল্পসত্তাতেই বিতরণ করেন তাঁর সবটুকু ‘ভালো’। প্রকাশ্যেই একজন নিখাঁদ ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন তিনি। এটা প্রকাশ্যে বলা খুব সাধারণ ব্যাপার নয়। কেননা, অতি মহৎ মানুষের ভেতরেও তুচ্ছ পরিমাণ হলেও সংকীর্ণতার কালো ছোপ লেগে থাকে আড়ালে। নিজের প্রতি কতোটা দৃঢ়তা ও নিয়ন্ত্রণ থাকলে একজন মানুষ প্রকাশ্যে এমন কথা বলতে পারেন, তা অচ্যুত সামন্তকে কাছ থেকে দেখলেই কেবল বোঝা সম্ভব। এক নজরে অচ্যুত সামন্ত জন্ম : ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৫, জন্মস্থান : ভারতের ওড়িশা রাজ্যে। প্রতিষ্ঠা করেন : কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি (কিট)। কিট প্রতিষ্ঠাকাল : ১৯৯২ সাল। এটি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়। বিস্ময়কর অবদান যেখানে : ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কলিঙ্গ ইনস্টিটিউড অব সোশ্যাল সায়েন্স (কিস), এখানে ওড়িশার আদিবাসী দরিদ্র শিশুরা ‘কেজি টু পিজি’ বিনা মূল্যে থাকা-খাওয়া আর পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে। পুরস্কার : ২০১২ সালে পেয়েছেন জওহরলাল নেহরু অ্যাওয়ার্ড। সমাজসেবায় অবদানের জন্য তিনি ভারত ছাড়াও স্বীকৃতি পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, চেক রিপাবলিকসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে। এ বছর ৬ মার্চ চতুর্থ সমাবর্তনে তাঁকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি দিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। final_aog উল্লেখযোগ্য পুরস্কার : জওহরলাল নেহরু অ্যাওয়ার্ড, (২০১২) দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া-‘ওড়িশা আইকন’, (২০১১) স্বামী বিবেকানন্দ জাতীয় পুরস্কার, (২০১০) এশিয়ার সেরা সোশ্যাল উদ্যোক্তা, (২০১০) সম্মানসূচক ডিগ্রি, হ্যান্সিও ইউনিভার্সিটি, দক্ষিণ কোরিয়া, (২০১০) ন্যাশনাল ইয়ং ইডিজিই অ্যাওয়ার্ড, (২০১০) গান্ধী সেবা মেডেল, (২০০৯) সম্মানসূচক ডিগ্রি, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব কম্বডিয়া, (২০০৯) ইন্টারন্যাশনাল ডব্লিউআইএসই অ্যাওয়ার্ড ২০০৯ এ নমিনেশন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০০৯ এ নমিনেশন গ্লোরি অব ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ড, (২০০৭) মানবাধিবার অ্যাওয়ার্ড, (২০০৪) সম্মানসূচক পিএইচডি, ওআইইউ কলম্বো ডি লিট ডিগ্রি, বানারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি রাজীব গান্ধী অ্যাওয়ার্ড, (২০০১) অদ্বয় দত্ত, লেখক ও সাংবাদিক বাংলাপ্রেস.কম.বিডি/এমজে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন