ব্রেকিং নিউজ
বাংলাপ্রেস-এর ফেসবুক পেজটি হ্যাকড হওয়ায় আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। পেজটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
শিরোনাম :

টোটকা চিকিৎসা নিয়ে করোনায় মৃত সাইফুরের আত্মীয়ের পোস্ট


বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০, ০৬:১৮ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

টোটকা চিকিৎসা নিয়ে করোনায় মৃত সাইফুরের আত্মীয়ের পোস্ট

ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক জালাল সাইফুর রহমানের নিকটাত্মীয়ের পোস্ট থেকে বাংলাপ্রেস পাঠকদের জন্য তুলে ধার হলো। এর তার সংক্ষপ্তি পরিচিতও দেয়া হচ্ছে।

তিনি লিখেছেন, আমি মো. সাইদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী (৭২ সিরিজ), বাপাউবো, ঢাকা। আমার ছোট ভগ্নীপতি জালাল সাইফুর রহমান। সম্প্রতি মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ছোট ভগ্নিপতি টি মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করায় পরিবার নিয়ে আমি মহা সংকটে পড়ে যাই!

পরিবারের সকলেই করোনায় আক্রান্ত হবে ভেবে দিশাহারা হয়ে যাই এমতাবস্থায় মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে তাহার সাহায্য প্রার্থনা করি এবং ইন্টারনেটসহ ফেসবুক এবং অন্যান্য বিষয়ে দুনিয়াব্যাপী সার্চ করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয় নিয়ে বিভিন্নজনের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা অর্জন করি। একটা ঘরোয়া চিকিৎসা আমার মনের মধ্যে আশার সঞ্চার করে যে, কলেরা রোগ যেমন স্যালাইন খেলেই ভালো হয়ে যায় তেমনি এই টোটকা চিকিৎসাই হতে পারে করোনা ভাইরাস এর জন্য একটা প্রতিকার-প্রতিরোধ! সব সময় গরম পানি খাওয়া এবং সকল ঠাণ্ডা খাদ্য পরিহার করা, এমন কি নরমাল পানীয় ও খাওয়া যাবে না!

দ্বিতীয়তঃ হল গরম পানির ভাপ নাকের মধ্য দিয়ে টেনে লান্সের মধ্যে প্রবেশ করানো, যাতে সেখানে কোন করোনা ভাইরাসের জীবাণু ঢুকে থাকলে তা নিঃশেষ হয়ে যায় বা নিস্তেজ হয়ে যায়! গরম পানির ভাপ নিতে হবে ১০ মিনিট প্রতিবারে ,দিনে চারবার ,মোট পাঁচ দিন। গরম পানির ভাপ নেওয়ার বিষয়ে, পানি ফুটিয়ে তা একটা বাটিতে ঢেলে বাটির মধ্যে একটা রুমাল অথবা এক টুকরা পরিষ্কার কাপড় বাটিতে রাখা ফুটন্ত পানির মধ্যে ডুবাতে হবে। তারপর তা উঠাইয়ে গরম সহ্য হয় মতো অবস্থায় এলে রুমাল অথবা কাপড়ের টুকরা থেকে চিপে পানি ফেলে দিতে হবে তারপর সহ্য হয় মত অবস্থায় নাকের মধ্যে ধরে জোরে শ্বাস টানতে হবে এবং মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস ছাড়তে হবে। ঠাণ্ডা হলে পুনরায় তা গরম পানির মধ্যে ভিজাতে হবে এবং প্রথমবারের মত নাক দিয়ে শ্বাস টেনে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস ছেড়ে দিতে হবে ।এভাবে প্রতিবার সর্বমোট ১০ মিনিট করে সময় নিয়ে ভাব নেয়ার কাজ শেষ করতে হবে। আমি আমার পরিবারের মধ্যে পহেলা এপ্রিল হতে ৫ই এপ্রিল পর্যন্ত মোট কমপক্ষে ২০ বার নাকের মধ্যে ভাব নেয়ার এই ঘরোয়া অর্থাৎ টোটকা চিকিৎসা করাতে থাকলাম। পাশাপাশি কিছুক্ষণ পরপর হাত কব্জি পর্যন্ত ধৌত করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে নামাজ পড়ে বাসার মধ্যেই অবস্থান করতে থাকলাম। পরবর্তীতে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) কর্তৃক করোনা টেস্টের রেজাল্টে দেখা গেল আমরা যারা এই পদ্ধতি ফলো করেছি তাদের প্রত্যেকের রেজাল্ট এসেছে নেগেটিভ আর যারা করি নাই তাদের মধ্যে চারজনের করোনা টেস্টে এসেছে পজেটিভ! পরবর্তীতে একই পদ্ধতিতে আক্রান্ত চারজনসহ আমাদের সকলের ঘরোয়া চিকিৎসা চলছে। আজকে চলছে চতুর্থ দিন। এরমধ্যে এখনো কারো কোন করোনার সিমটম দেখা যায় নাই ইনশাআল্লাহ! আল্লাহর উপর ভরসা করে আমি বলতে চাই এই ঘরোয়া অর্থাৎ টোটকা চিকিৎসা যদি আমরা সকলে একসাথে করি তাহলে বাংলাদেশ থেকে করোনাভাইরাস মুক্ত করা যাবে ইনশাল্লাহ!

তাই আসুন আমরা সকলে মিলে একসাথে এই ঘরোয়া চিকিৎসা চালাই এবং দেশকে করোনা ভাইরাস মুক্ত করি! এভাবে আমরা পুরো পৃথিবীটাকেই করোনা মুক্ত করি! আল্লাহ আমাদের সহায় হোন! আল্লাহ হাফেজ!

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন