শিরোনাম :

আনুশকার মুখে রাজ্য জয়ের হাসি


বুধবার, ২ মে ২০১৮, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

আনুশকার মুখে রাজ্য জয়ের হাসি

ক্রীড়া: উমেশ যাদবের বলে পেছনে ক্যাচ দিয়ে রোহিত শর্মা ব্যক্তিগত শূন্য রানে ফিরে যাচ্ছেন। টিবি স্ক্রিনে ফুটে উঠল দুটি চিত্র। প্রথম দৃশ্যে আনুশকা শর্মার মুখে রাজ্য জয়ের হাসি। পরের দৃশ্যে রিতিকা সাজদেহর (রোহিত শর্মার স্ত্রী) মুখ গাঢ় অন্ধকার। প্রথমটা জয়ের ইঙ্গিত, পরেরটা পরাজয়ের শঙ্কার। চতুর্থ ওভারে আনুশকার সেই হাসিটা ম্যাচ শেষে আরও চওড়া হলো কোহলির দল বেঙ্গালুরু জয়ে। আর রিতিকার মুখে আরও ঘোরতর অন্ধকার।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে আজকের ১৪ রানের জয়ে কিছুটা অক্সিজেন পেল কোহলির দল। দুটি দলেরই আজ ছিল বাঁচামরার লড়াই। হারলে প্লে অফের দৌড় থেকে প্রায় ছিটকে যাওয়া। আর জিতলে বেঁচে থাকবে আশা। সে আশাটাই এখন টিকে থাকল কোহলিদের। আর মোস্তাফিজের মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত। একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় আজকের হারটা মাঠের বাইরে বসেই দেখেছেন বাংলাদেশের পেসার।

১৬৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত অসহায়ত্ব প্রকাশ করবে মুম্বাই, তা শুরুতেই বোঝা গিয়েছিল। প্রথম ওভারেই সাউদির বলে দলীয় ৫ রানের সময় শূন্য করে ফিরে যান কিষান। এরপর সূর্য কুমার যাদব ও ডুমুনি মিলে দলীয় স্কোরটা কেবল ২১ নিয়েছে, তখনই চতুর্থ ওভারে বল হাতে তুলে নিয়ে উমেশ যাদবের তাণ্ডব। পরাপর দুই বলে সূর্য কুমার যাদব ও রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে তো হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিলেন। স্কোর বোর্ডে তখন ২১ রানে ৩ উইকেট। ম্যাচটা তখনই কিছুটা হেলে পরে কোহলির দলের দিকে। ৭.১ ওভারে ৪৭ রানে পোলার্ড ফিরে গেলে মুম্বাই একপ্রকার ম্যাচ থেকে ছিটকেই পড়ে যায়। তবু হার্দিক পান্ডিয়া ও ডুমিনির ব্যাটে ভালো অবস্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল মুম্বাই। কিন্তু দলীয় ৮৪ রানে রানআউট হয়ে ফিরে যান ডুমুনি। এর পরে লড়াইটা চালিয়ে গিয়েছিলেন হার্দিক ও ক্রুনাল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে লড়াইটা আর থাকল না।

শেষ ৪ ওভারে মুম্বাইয়ের প্রয়োজন ছিল ৪৫। ১৭তম ওভারে সিরাজ ১০ রান দিলে শেষ ৩ ওভারে গিয়ে দাঁড়াই ৩৫। ১৮তম ওভারে এসে সাউদি মাত্র ৫ রান দিলে শেষ ২ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩০। সেখানে কিনা ১৯তম ওভারে রান এল মাত্র ৫। তখনই গ্যালারিতে উৎসব শুরু করে দিয়েছেন আনুশকা শর্মারা।


এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান করে বেঙ্গালুরু। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ বলে ৪৫ রান করেছেন ওপেনার মানান ভোহরা। ২৫ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৭ রান করেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। অধিনায়ক বিরাট কোহলি খেলেন ২৬ বলে ৩২ রানের এক ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও একটি ছক্কা। শেষদিকে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ব্যাট থেকে এসেছে ২৩ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী এক ইনিংস। ১০ বলের ইনিংসটিতে ৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন বেঙ্গালুরুর এই ব্যাটসম্যান।

মুম্বাইয়ের পক্ষে ৩ ওভার বল করে ২৮ রানে ৩টি উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়া। নিজের তৃতীয় ও শেষ ওভারে মানদিপ সিং ও কোহলিকে ফিরিয়ে তো এই অলরাওন্ডার জাগিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন