শিরোনাম :
   জাগো বাংলাতে সাংবাদিকতায় চাকরির সুযোগ    ইরানকে নিয়ে সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন হাসান রুহানি    রোহিঙ্গা সংকট: নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান    সু চিকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ফৌজদারি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর সুপারিশ    আজকের রাশিফল: ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার, ২০১৭    নিজেদের মাঠে বেটিসের কাছে হেরে গেল রিয়াল মাদ্রিদ    মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত: জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান    রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ২৬২ কোটি টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র    রোহিঙ্গা হত্যার প্রতিবাদে বরিশালে ধ্রুবতারার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত    সাপাহারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাগুলো  দ্রুত সংস্কারের দাবী এলাকাবাসীর 

রোহিঙ্গা মা জন্ম দিলেন যমজ শিশু


শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

রোহিঙ্গা মা জন্ম দিলেন যমজ শিশু

ডেস্ক প্রতিবেদন: মিয়ানমারের চলমান সহিংসতার মাঝে প্রসব বেদনা নিয়েই পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মা জন্ম দিলেন যমজ শিশু। কিন্তু দুটো নবজাতকের মধ্যে এক সন্তানকে বাঁচাতে পারেননি তিনি।

প্রসূতি নারী রেহেনা বেগম (২২) মংডুর রাশিডাং এলাকার পেঠান আলীর স্ত্রী। তারা দু’জন দুইদিন পূর্বে পালিয়ে নাফ নদী দিয়ে এপারে অনুপ্রবেশ করেন। প্রসব বেদনা তীব্র হওয়ায় তাদের ঠাই হয় টেকনাফ উপজেলার একমাত্র নতুন শরণার্থী শিবির হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকার রইক্ষ্যংয়ে। তাদের আরেকটি আড়াই বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। নাম তার আব্দুল হাফেজ।

৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এই ক্যাম্পের গণস্বাস্থ কেন্দ্রের অস্থায়ী মেডিক্যাল টিমের সহযোগিতায় তার ডেলিভারি করানো হয়। ডা. রসু ও ডা. আরিফ প্যারামেডিক রোজিনা, আশীষ, আনিস, চিত্রা, টুম্পা, রোজিনা আক্তার তার ডেলিভারি কার্য সম্পাদন করেন। এতে সার্বিক পরিচালনা করেন কক্সবাজার গণস্বাস্থ কেন্দ্রে ইনচার্জ জনাব আলী।
ওই পরিবার জানায়, মিয়ানমারে হত্যা, ধর্ষণ, ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়ানোসহ নির্যাতনের মাত্রা সীমাহীন হওয়ায় তাদের অনাগত সন্তানকে বাঁচাতে এপারে চলে আসেন। কিন্তু আসার সময় রেহেনার প্রসব বেদনা বাড়তে থাকে। দুই দিন পরে (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় দুই ছেলে সন্তানের জন্ম দেন তিনি। বিশ মিনিট পর এক ছেলে সন্তানের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

গণস্বাস্থ্য থেকে নব জাতকের নাম রাখেন জয়।

জনাব আলী জানান, রোহিঙ্গারা এদেশে আসার পর থেকে রইক্ষ্যং অস্থায়ী ক্যাম্পে আমাদের চিকিৎসা টিম ও শুকনা খাবার অব্যাহত রয়েছে। এরইমেধ্য ২ হাজার ২ শ’ রোহিঙ্গা নাগরিককে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আরো ৭০ থেকে ৮০ জন সন্তান সম্ভবা মাকে ফলোআপ করা হচ্ছে।২৫ আগস্ট মিয়ানমারের কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে উগ্রবাদীদের হামলার পর রাখাইন রাজ্যে দমন অভিযান শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও পুলিশ। এরপর থেকেই প্রাণভয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। গেলো বুধবার পর্যন্ত কয়েক দিনে প্রায় পৌনে ২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয়প্রার্থী বাংলাদেশে ঢুকেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা। এই সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন