শিরোনাম :

বনানীতে ফের হোটেলে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ


মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

বনানীতে ফের হোটেলে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ডেস্ক প্রতিবেদন: রাজধানীর বনানীর একটি আবাসিক হোটেলে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সঙ্গীতশিল্পী আনুশেহ আনাদিলের ভাই কুশান ওমর সুফির বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী তরুণী। গত ১৩ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বনানী থানায় এ মামলা করা হয়। 

মামলার এজহারে ওই তরুণী অভিযোগ করেন, কুশান তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। কিন্তু বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাদের বাসায় প্রবেশে নিষেধ করে তার পরিবারের সদস্যরা। শুধু তাই নয়, ক্যান্টনমেন্ট থানায় জিডি করার পর প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে অভিযুক্ত কুশান ও তার পরিবার।

বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মতিন জানান, মামলার তদন্ত চলছে। অভিযোগ অনুযায়ী ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার জন্য ওই তরুণীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। সেখানকার রিপোর্ট এখনো হাতে পাওয়া যায়নি। ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

মামলার এজহারে ওই তরুণী অভিযোগ করেন, কুশানের সঙ্গে তার প্রায় দেড় বছর আগ থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তার বাসায় ও বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে যেতেন। গত জুন মাসে কুশান দেশের বাইরে যায়। সেপ্টেম্বরে দেশে ফিরে তাকে বিয়ে করার আশ্বাস দেয়।১৯ নভেম্বর তিনি কুশানের বাসায় যান।কিন্তু কুশানের বোন আনুশেহ আনাদিল তাকে বাসায় প্রবেশ করতে নিষেধ করে।

এ সময় কুশান আলোচনা করার জন্য তাকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়।একটি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া শেষে ২০ নভেম্বর রাত ১২টা ২০ মিনিটে তাকে বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের ৬০ নম্বর হোটেল সুইট ড্রিমের ৮০৫ নম্বর রুমে নিয়ে যায়।সেখানে কুশান তাকে মারধর করে।একপর্যায়ে রাত দেড়টার দিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

বিষয়টি মোবাইল ফোনে বনানী থানায় জানালে থানার টহল টিম তাকেসহ কুশানকে থানায় নিয়ে যায় এবং অভিযোগ করার জন্য আইনি পরামর্শ দেয়। খবর পেয়ে বিবাদির চাচা পাপ্পু সুফি থানায় আসেন। এরপর বিবাদিসহ ওই তরুণীর আত্মীয়, সাক্ষী শাহীন খান এবং পাপ্পু সুফি এবং নুর ইসলামের সামনে ক্ষমা চায় কুশান। পরদিন ২১ নভেম্বর তাকে বিয়ে করবে বলে সবার সামনে কথা দেয়। বিয়ের দিন ধার্য হওয়ায় সে ঘটনার বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। ২১ নভেম্বর তিনি বিবাদির বাসায় গেলে বিবাদির বোন আনুশেহ আনাদিল, বিবাদির বোনের স্বামী শেত পাণ্ডু, আত্মীয় সাজলী তাকে বাসায় প্রবেশে বাধা দেন এবং মারধর ও হুমকি প্রদান করে তাড়িয়ে দেন। পরে তারা বিবাদি কুশানকে অন্যত্র রেখে আসেন এবং বিবাদিকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেবে বলে তাকে জানিয়ে দেন।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন