শিরোনাম :

গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড


সোমবার, ২৮ মে ২০১৮, ০১:৪৪ অপরাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গার্মেন্টসকর্মী আসমা আক্তার বিউটিকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় চার আসামি খালাস পেয়েছেন।সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মো. জুয়েল রানা এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রাকিবউদ্দিন আহমেদ রাকিব এ তথ্য জানিয়েছেন।মামলায় চার্জশিটে মোট ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নাসির উদ্দিন বিটল (৪০), অকু মিয়ার ছেলে ছফুন (৩৪), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে খোকন মিয়া (৩২)।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন আলমাস ব্যাপারীর ছেলে ছালেহ আহমেদ ছালাত, মৃত মোমিন আলী মুন্সির ছেলে হাসান কবির মেম্বার, আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে দাড়িওয়ালা আজিজ, সুজন মিয়ার ছেলে মো. মিজান।

মামলার বাদী নিহতের পিতা রাজা মিয়া জানান, ২০০৮ সালের ১১ মার্চ রাতে তার মেয়ে আসমা বেগম নারায়ণগঞ্জ থেকে গার্মেন্টসের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে শীতলক্ষ্যা নদীর বন্দর খেয়া পাড় হওয়ার পর অপহরণ হয়। পরদিন বন্দরের কুশিয়ারা এলাকায় একটি ঝোঁপ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় আসমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনি সাতজনকে আসামী করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।

আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত আসমা বেগমের বাবা রাজা মিয়া ও মা উম্মে হানি। সব আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করেছিলেন তারা। দশ বছর ধরে তারা ন্যায় বিচারের আশায় ছিলেন। চারজন আসামি খালাস পেয়ে যাওয়ায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিব উদ্দিন জানান, মামলার তদন্তে ২৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। এর মধ্যে ১৪ জন আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী দেয়। এতে প্রমাণ হয় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আসমা বেগমকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেও ধর্ষণ এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন