শিরোনাম :

খুনের কিনারা করতে কাজের মেয়েছিলেন রজনী


মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ণ, বাংলাপ্রেস ডটকম ডটবিডি

খুনের কিনারা করতে কাজের মেয়েছিলেন রজনী

ডেস্ক: গোয়েন্দা হিসেবে প্রথম খুনের কিনারা যখন করেছিলেন, বয়স মোটে বাইশ! এই বয়সে মগজাস্ত্র ধার কতটা, সহকর্মীরা তা তখনই টের পেয়েছিলেন। কুর্নিশও জুটেছিল অজস্র। কারণ, তিনি যে কেসটি সলভ করেছিলেন, তা জলবত্‍‌ তরলং ছিল না। বুদ্ধির সঙ্গে ধৈর্যেরও পরীক্ষা দিতে হয়েছিল। সেই সাফল্যই বুনে দিয়েছিল ভবিষ্যতের সোপান। ক্রমে আরও পরিপক্ক হয়ে ওঠেন।

তিনি রজনী পণ্ডিত। ভারতের প্রথম সফল নারী গোয়েন্দা। যিনি নিজেকে 'ভারতীয় শার্লক' বলেই জাহির করতে ভালোবাসেন। পিছু-ছুট সেই সময়টায় ফিরে রজনী বলেন, খুনের কিনারা করতে পরিচারিকা সেজে কাজে ঢুকে পড়লাম। পরিচারিকার যা কাজ, স্বাভাবিক ভাবেই আমিও তাই করতাম। ঘরমোছা থেকে বাসন ধোওয়া-- কোনও কিছু বাদ ছিল না।

যে বাড়িতে তিনি কাজ নিয়েছিলেন, সেই বাড়িরই গৃহকর্তা ও তাঁর ছেলে খুন হয়। ওই জোড়া খুনে প্রথম থেকেই সন্দেহের তালিকায় ছিলেন গৃহকর্তার স্ত্রী। কিন্তু, তাঁকে গ্রেফতার করার মতো পুলিশের হাতে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল না। একটা সময় ওই গৃহকর্ত্রী তাঁকে সন্দেহ করতে শুরু করেন। কাজটিও যায়। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার, হয়ে গেছে। পুলিশের অনুমানই ঠিক। স্বামী-ছেলের জোড়া খুনে হাত ছিল নারীর। নিশ্চিত হন রজনী পণ্ডিত। এ-ও জেনেছেন একজনকে 'খুনের জন্য টাকা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে নারীকে জেরা করে, সেই 'হিটম্যান'-এর নাগাল পেতে খুববেশি কাঠখড় পোড়াতে হয়নি পুলিশকে।

রজনী পণ্ডিতের কথায়, তাঁর জীবনে কঠিনতম মামলা ছিল ওই জোড়া খুনের মামলা। মঙ্গলবার 'হিউম্যানস অফ বোম্বে' ফেসবুক পেজে শেয়ার হয় তাঁর ওই সাফল্যের কাহিনি। সেটি ভাইরাল হতে অবশ্য সময় লাগেনি। পোস্ট হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১,৩০০ শেয়ার হয়েছে। রয়েছে ১৬ হাজার ব্যক্তির মন্তব্য। এখনও শেয়ার হয়ে চলেছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন